অ্যাথেন্স শহর থেকে কিছু দূরের উপশহর মাত্তি। নিরিবিলি এলাকাটিতে গড়ে উঠেছে অনেকগুলো ছুটি কাটানোর রিসোর্ট। রয়েছে অসংখ্য বাগানবাড়ি। অনেক বাড়ি আবার পরিত্যাক্ত। এসব পরিত্যাক্ত বাড়িতে লুটপাট চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। কখনও আবার বনের মধ্যে মশাল নিয়ে চলে লুটের কাজ। গ্রিসের কর্মকর্তারা বলেছেন, বাড়ি লুটেরাদের কারণেই সূত্রপাত ঘটেছে এবারের ভয়াবহ দাবানলের। যাতে এ পর্যন্ত প্রাণ গেছে প্রায় ৬৫ জনের। বিবিসি, এপি।
গ্রিস সরকারের মুখপাত্র দিমিত্রিস জানাকাপাওলোস বলেন, সাধারণত গ্রিসে গ্রীষ্মকালে এমন দাবানল হয়ে থাকে। তবে এবার তিনদিক থেকে প্রায় ১৫ টি দাবানল একযোগে অগ্রসর হচ্ছে। সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া যোগ হয়ে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে পরিস্থিতি।
IMG0
দাবানল থামাতে গ্রিসের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যৌথ ভাবে কাজ করছে অন্য ইউরোপিয়ান দেশগুলো। হেলিকপ্টারসহ বিভিন্ন সামগ্রী পাঠিয়েছে প্রতিবেশী দেশগুলো।
অঞ্চলটিতে গোয়েন্দা ড্রোন পাঠিয়ে লুটেরাদের চিহ্নিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন, গ্রিস সরকারের মুখপাত্র দিমিত্রিস।
IMG1
এর আগে ২০০৭ সালে ভয়াবহ দাবানলের মুখে পড়েছিল গ্রিস। যাতে ৬০ জন নিহত হয়।
ইত্তেফাক/টিএস
