বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিলে হামলা করেছে ছাত্রলীগ। এ ঘটনায় ৫ শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নং গেইটের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার বেলা ১১টার দিকে কোটা সংস্কারসহ ৫ দফা দাবিতে ক্যাম্পাসের ৩ নং একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি একটু অগ্রসর হতেই সেখানে অতর্কিত হামলা করে ছাত্রলীগ নেতারা। এতে কমপক্ষে ৫ শিক্ষার্থী আহত হয়।
আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাদের একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার আন্দোলন পরিষদের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহবায়ক রবিউল ইসলাম বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ মিছিল বের করেছিলাম। কিন্তু তাতে অতর্কিত হামলা চালায় ছাত্রলীগ নেতারা। এ ঘটনায় ৫ শিক্ষার্থী আহত হয়। অন্য শিক্ষার্থীরাও লাঞ্ছিত হয়। আহতদের জীবনের ঝুঁকি থাকায় সরকারী হাসপাতালে ভর্তি না করে অতি গোপনে বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আহতদের নাম জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদের ওপর পুনরায় হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। তাই নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের নাম বলা যাচ্ছে না।
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নোবেল শেখ বলেন, ‘দেশকে অস্থিতিশীল করতে কোটাবিরোধী আন্দোলনের নামে অরাজকতা করা হচ্ছে। মিছিলকারীদের বেশিরভাগ বহিরাগত। বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগতরা শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করবে তা বরদাশত করা হবে না বলেই আমরা তাদের প্রতিরোধ করেছি।’
এ বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আবু কালাম মোঃ ফরিদ উল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেয়া হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
ইত্তেফাক/নূহু
