জ্বিনের দোহাই দিয়ে ১৫ বছর আটকে রেখে ধর্ষণ!

আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০১৮, ২০:৪০
৮৩ বছর বয়সী ভণ্ড ওঝা থাকতেন গ্রামের পাশে একটি জঙ্গলে। ১২ বছর বয়সে হারিয়ে গিয়ে তার সঙ্গে দেখা হয়েছিল মেয়েটির। ভণ্ড ওঝা তাকে বোঝাতে সক্ষম হন, মেয়েটির প্রেমিক আমরিনের আত্মা ভর করেছে তার ওপর। বিষয়টি বিশ্বাস করে ওঝার বাড়িতে থাকতে রাজি হয় সে। এভাবে শুরু হওয়া ওঝার ধর্ষণের ফাঁদ শেষ হলো ১৫ বছর পর।
 
ঘটনাটি ঘটেছে ইন্দোনেশিয়ার কেন্দ্রীয় সুলাওয়েসি প্রদেশে। রয়টার্স, জাকার্তা পোস্ট।
 
রবিবার গোপন সংবাদ পেয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে পুলিশ। এখন তার বয়স ২৮ বছর। ২০০৩ সালে নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে ওঝার বাড়ি ছেড়ে কোথাও যায়নি সে।
 
কেন্দ্রীয় সুলাওয়েসি প্রদেশের পুলিশ প্রধান বলেন, ‘মেয়েটি মনে করতো সে তার প্রেমিকের সঙ্গে যৌন সংগম করছে। মূলত মেয়েটির সরলতার সুযোগ নিয়ে ওঝা তার লালসা মিটিয়েছে।’
IMG0
বৃদ্ধ ওঝা নিজের দোষ স্বীকার করেছে। ইন্দোনেশিয়ার শিশু সুরক্ষা আইনে তার ১৫ বছরের সাজা হতে পারে।
 
ইন্দোনেশিয়ায় এখনও আধ্যাত্মিক জ্বিন-ভূত ভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি জনপ্রিয়।
 
ইত্তেফাক/টিএস