ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে আটকা পড়াদের জীবিত উদ্ধারের আশা ক্ষীণ, নিহত ১৩১

আপডেট : ০৮ আগস্ট ২০১৮, ১৩:৫২
ইন্দোনেশিয়ার ভূমিকম্প বিধ্বস্ত পর্যটন দ্বীপ লম্বকে নিহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ১৩১ জনে পৌঁছেছে। উদ্ধারকারীরা অনেক আহতকে সরিয়ে নিয়েছেন। তবে সময় যত যাচ্ছে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়া ব্যক্তিদের জীবিত উদ্ধারের আশা ততটাই মিইয়ে যাচ্ছে। খবর আল জাজিরার।
 
খবরে বলা হয়, ভূমিকম্পে মানবিক সংকটময় পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে ইন্দোনেশিয়ায়। বাস্ত্যুচুত হয়েছেন ১ লাখ ৫৬ হাজার মানুষ। তারা পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশুদ্ধ পানি, খাবার ও ঔষধ পাচ্ছে না।
 
দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, রবিবার হওয়া ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্পটিতে  মৃতের সংখ্যা  বেড়ে ১৩১ জনে পৌঁছেছে। এই সংখ্যা আরো বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।নিহতদের মধ্যে নিকটবর্তী পর্যটন দ্বীপ বালির দুই ব্যক্তিও রয়েছেন। সেখানেও কম্পন অনুভূত হয়েছিল।
 
এখন পর্যন্ত গুরুত্বর জখমসহ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ২ হাজার ৫০০ ব্যক্তিকে। উদ্ধারকারীরা কিছু এলাকায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে উদ্ধারকাজ চালাতে পারছেন না।
 
 টুইটারে ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ প্রশমন সংস্থার (বিএনপিবি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা লম্বকের উত্তরাঞ্চলে উদ্ধারকারীরা বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হচ্ছেন। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির মুখপাত্র সুতোপো পুর্বো নুগ্রহো জানিয়েছিলেন, সেতু ধসে পড়ায় কিছু এলাকা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
 
আন্তর্জাতিক বেসরকারি দাতব্য সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অফ রেড ক্রস এন্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ম্যাথিও কচরেন জানিয়েছেন, উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা জনশূন্য শহরের কথা বলছেন, গ্রামের কথা বলছেন যেখানে কেউ নেই।
 
তিনি জানান, লম্বকের ৮০ শতাংশ ভবন  ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বা ধ্বংস হয়ে গেছে। 
 
এদিকে ভূমিকম্পের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত একটি মসজিদে উদ্ধারকর্মীরা তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রেখেছেন। ধারণা করা হচ্ছে সেখানে অনেকে আটকা পড়ে আছেন। 
 
ইত্তেফাক/ জেআর