রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়কের খানা-খন্দক, ঈদযাত্রায় ভোগান্তি বাড়াবে

আপডেট : ১২ আগস্ট ২০১৮, ২১:৫৮
বর্ষার পানিতে রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়কের বেশকিছু অংশ এবার খানা-খন্দকে ভরে গেছে। কোথাও কোথাও সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। খানা-খন্দকের কারণে এখন প্রায় প্রতিদিনই সৃষ্টি হচ্ছে যানজট।
 
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাড়সকটির প্রশস্তকরণ কাজ শেষ না হওয়ার কারণে ওই অংশে প্রায় প্রতিদিনই যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এদিকে কোরবানির পশুবাহী ট্রাকগুলো প্রায়ই যানজটে আটকা পড়ছে। কখনো যানবাহনের সারি দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে ঈদে নাড়ির টানে ঘরে ফেরা যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে উঠবে বলেও আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট কোচ চালক ও যাত্রীরা।
 
বাস-ট্রাক চালকরা বলছেন, রাজশাহী বা ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়ার পরে কখনো কখনো তীব্র যানজটের কারণে ৩-৪ ঘণ্টাও অতিরিক্ত সময় পার করতে হচ্ছে সড়ক পথেই। এতে যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়ছেন। এটি ঢাকা-রাজশাহী রুটের এখন স্বাভাবিক ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। মাঝে-মাঝে দুই-একদিন পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়। কিন্তু অধিকাংশ দিনই থাকে যানজটের চিত্র। কখনো পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গিয়ে ঠেকে যে, সকালে পৌঁছার কথা থাকলেও সেখানে পৌঁছাতে পৌঁছাতে হয়ে যায় সন্ধ্যা।
 
এদিকে সরেজমিন রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ-নওগাঁ রুটের সিটি বাইপাশ ঘুরে দেখা যায়, রাস্তাটির বেলপুকুর থেকে কাশিয়াডাঙ্গা পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার খানা-খন্দকে ভর্তি। একয়েকদিন আগে নামে মাত্র সংস্কার করা হলেও বর্ষায় আবার ভেঙে একাকার হয়ে গেছে। ঈদের আগে এ ২০ কিলোমিটার ভাঙা রাস্তাটি সংস্কার না হলে ঘরমুখো যাত্রীদের দুর্ভোগের মুখে পড়তে হবে বলেও জানান অনেকেই।
 
এই রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী মহানগর পরিবহনের চালক আব্দুর রশিদ বলেন, রাস্তাটি সংস্কারের নামে বার বার শুধু অর্থ লোপাট করা হয়। কিন্তু ভালোমানের কাজ না করার কারণে দুদিন পরেই ভেঙে যায়। এ কারণেই এবারো বর্ষায় রাস্তাটি বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। এতে করে ঈদের সময় যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হবে। 
 
ইত্তেফাক/আরকেজি