বগুড়ায় মশলার বাজারে আগুন

আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০১৮, ১৬:৩২
বগুড়ায় কোরবানির পশুর হাট জমে উঠতে শুরু করেছে। তবে পশুর বাজারে দামে যে উত্তাপ সেই উত্তাপ ছড়াচ্ছে মসলার বাজারেও। দাম বেড়েছে সাদা এলাচ, দারুচিনি, জিরা, হলুদ, মরিচসহ বেশির ভাগ মসলার।
 
বগুড়ার ফতেহ আলী, রাজা বাজার, উপশহর বাজার, খান্দার বাজার, বিসিক বাজার, গোদারপাড়া বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মান ও গুণ ভেদে প্রায় প্রতিটি মসলাই বর্তমানে আগের চেয়ে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। ঈদের দু-একদিন আগের তুলনায় এখন কেনাকাটায় বাজর দর একটু কম পাওয়া যাবে ভেবে মশলার বাজারে আসছেন অনেক ক্রেতা। তবে বাজারে এসে দেখছেন ভিন্ন চিত্র। 
 
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, চাহিদা বেশি থাকা জিরা, এলাচ ও দারুচিনির দাম এখন বেশ খানিকটা বাড়তি গত কয়েক দিনের তুলনায়। আর নতুন করে কিছু মশলায় বাজেটের প্রভাব পড়েছে বলেও জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। 
 
বর্তমানে পাইকারি দরে প্রতি কেজি সাদা এলাচ বিক্রি হচ্ছে ১৭০০ টাকা থেকে ১৯০০ টাকায়। আগে যা ছিল ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা। জিরা ৩৪০ থেকে ৩৬০ টাকা দরে। আগে যা ছিল ৩০০ টাকা। দারুচিনি ২৭০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা দরে। যা আগে ছিল ২৩০ টাকা। 
 
এছাড়া ঈদ উপলক্ষে বর্তমানে বগুড়ার পাইকারি বাজারে মান ভেদে কালো এলাচ বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা কেজি দরে, লবঙ্গ ১০০০ টাকা, কালোজিরা ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা, গোল মরিচ ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, জায়ফল ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, তেজপাতা ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা, সাদা সরিষা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, পাঁচফোড়ন ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা, ধনিয়া ১০০ থেকে ১২০ টাকায়, হলুদ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, মরিচ ১৮০ থেকে ২৪০ টাকায়। এছাড়াও কেজি প্রতি ২০ থেকে ৪০ টাকা বেড়েছে পোলার চাল, রসুন, আদার দামও।
 
শহরের ফতেহ আলী বাজারে মশলা কিনতে আসা ফয়জুল আলম বলেন, গত কয়েক দিন আগে বাজারে যে দামে মশলা কিনেছি, এখন তার থেকে প্রতিটির দামই বেড়েছে। 
 
ফতেহ আলী বাজারের খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতা মো. আব্দুস সালাম বলেন, বাজেটের পর এমনিতেই দুই চারটা মসলা ছাড়া বেশির ভাগ মসলার দামই বেড়েছে। তাছাড়া কোরবানির ঈদকে ঘিরেও বাজারে মসলার দাম কিছুটা বাড়ে প্রতি বছর।এতে আমাদের ব্যবসায়ীদের করার আসলে তেমন কিছু থাকে না। কারণ এসময় আমাদের মসলা কিনতেই হয় বেশি দামে। 
 
ইত্তেফাক/জেডএইচ