কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দের হাট গুলোতে গবাদি পশুর ব্যাপক আমদানি। দাম স্বাভাবিক থাকায় খুশি ক্রেতা বিক্রেতারা। তবে গো খাদ্যের দাম কিছুটা কমলে ও ভারতীয় পশু বাংলাদেশে না ঢুকলে আরো বেশি লাভবান হবেন বলে আশা করছেন এখানকার স্থানীয় পশু খামারী ও পালনকারীরা।
উপজেলার চার ইউনিয়নে ৫টি পশুর হাট রয়েছে। তার মধ্যে প্রধান হাট কামারখন্দ হাট। গত মঙ্গলবার কামারখন্দ হাট ঘুরে দেখা যায়, দেশি গরুর ব্যাপক আমদানি রয়েছে। স্থানীয় ও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এসেছেন ব্যাপারিরা। গরুর দাম স্বাভাবিক থাকায় কেনা বেচাও হয়েছে ভাল। এতে করে খুশি ক্রেতা বিক্রেতারা। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এখানকার গবাদি পশু যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়।
উপজেলার কামারখন্দ গ্রামের গরু খামারী আল মাহমুদ জানান, গরুর বাজার ভালই, আছে তবে গো খাদ্যের দাম কিছুটা কম হলে আমাদের মত খামারীরা পশু পালনে আরো উদ্বুদ্ধ হবে। বেলকুচি উপজেলার কামার পাড়া গ্রামের গরু খামারী রাজ্জাক জানান, গত কয়েক বছরের তুলনায় এ বছর গরুর বাজার ভাল, তবে ভারতীয় গরু বাংলাদেশে না ঢুকলে আমরা খামারীরা কিছুটা লাভের মুখ দেখবো।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. নাজমুল হক জানান, উপজেলার ৫টি পশুর হাটে ৩টি ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। হাটে রোগাক্রান্ত পশু ও গর্ভবতী পশু পরীক্ষা করা হচ্ছে।
ইত্তেফাক/ইউবি
