শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি সার্ভিসে সচলতা ফিরতে শুরু করেছে। রবিবার দুপর থেকে চলতে শুরু করেছে রো রো ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর। এর আগে শনিবার থেকে ৬টি ডাম্প ফেরি চলা শুরু করেছে। এই রুটের ২১টি ফেরির মধ্যে রবিবার চলছে ১৭টি ফেরি। ফেরিগুলো অপেক্ষাকৃত কম লোড নিয়ে চলাচল করছে। তবে এখনও ফেরি চলছে ওয়ানওয়েতে। অর্থাৎ এক দিক থেকে আসা ফেরি চ্যানেলে থাকলে অন্য দিক থেকে আসা ফেরিকে চ্যানেলের বাইরে অপেক্ষা করতে হয়।
লৌহজং টার্নিং পয়েন্ট থেকে চায়না চ্যানেল পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার ওয়ানওয়ে হওয়ায় কমপক্ষে ২০ থেকে ২৫ মিনিট সময় বেশি লাগছে। সপ্তাহ ধরে দৈনিক হাজার বারশ’ গাড়ি পার করলেও শনিবার এই রুটে পার করা হয়েছে ২৩শ’ যান। এর মধ্যে কিছু বাসও পার করা হয়েছে। আর রবিবার রো রো ফেরি চলাচলের ফলে গাড়ি পারাপারের সংখ্যা আরও বাড়বে। সকালে ঘাটে ছোট গাড়ির চাপ থাকলেও এখন তেমন চাপ নেই। তবে যানবাহনের চেয়ে এ ঘাটে যাত্রীর ভিড় বেশি রয়েছে। লঞ্চ ও সিবোটগুলোতে যাত্রী পারাপারের চাপ রয়েছে প্রচুর।
IMG0
এসব তথ্য দিয়ে বিআইডব্লিউটিসি’র এজিএম খন্দকার শাহ খালেদ নেওয়াজ জানান, আসলে অন্যান্যবার ঈদে ঘরমুখো মানুষকে যে সেবা আমরা দিয়েছি এবার সেটা দিতে পারছি না। তবে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। নদীতে জোয়ার থাকায় পানি একটু বৃদ্ধি পেয়েছে, তাই অনেকটা রিক্স নিয়েই রো রো ফেরি চালানো হচ্ছে।
বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিমুলিয়া ঘাটের টিআই সোলাইমান হোসেন জানান, যাত্রীর চাপ সামাল দেওয়ার জন্য এ রুটে ৮৭টি লঞ্চ চলাচল করছে। সকালের দিকে নদীতে একটু ঢেউ ছিলো। এখন নদী শান্ত। আমরা কোন মতেই অতিরিক্ত যাত্রীবহন করতে দিচ্ছি না। সকালে যাত্রীদের চাপ থাকলেও দুপুরে চাপ কমে আবার বিকেলের দিকে একটু যাত্রী বেশি হয়।
ইত্তেফাক/জেডএইচ
