ইরাকের নির্বাচনী ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত সুপ্রিম কোর্টে

আপডেট : ২০ আগস্ট ২০১৮, ১১:১৪

ইরাকে মে মাসে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন পেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট থেকে। এতে করে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে শীর্ষ দলগুলোকে সরকার গঠন করতে হবে।  

মে মাসের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছে শিয়া নেতা মুকতাদা আল সদর নেতৃত্বাধীন দল। তবে নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে অনেকেই ভোট জালিয়াতিসহ ভোট গ্রহণে নানা অনিয়মের অভিযোগ করেন। এসব অভিযোগকারীদের মধ্যে রয়েছে বহু ইরাকী, কুর্দি ও সুন্নি আরব দল। 
 
অভিযোগের চাপে পড়ে নির্বাচনের ভোট পুনরায় গণনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে দ্বিতীয়বার গণনায়ও অটল রয়েছে সদরের অবস্থান। বর্তমানে সরকার গঠনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করবেন তিনি। 
 
প্রসঙ্গত, সদর নেতৃত্বাধীন জোট নির্বাচনে জয়ী হলেও সদর নিজে প্রার্থী হিসেবে না লড়ায় তিনি কোন পদে আসীন হতে পারছেন না।
 
জুন মাসে ব্যালট বক্স রাখা একটি গুদামঘরে অগ্নিসংযোগ করা হয়। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল-আবাদি ওই ঘটনার প্রতি তীব্র নিন্দা জানান। ভোট পুনরায় গণনার ঘোষণা আসার কয়েকদিন পরেই ওই অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। 
 
এছাড়া, নির্বাচনে নজরদারির দায়িত্বে থাকা স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের ৯ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়। তাদের জায়গায় ভোট পুনরায় গণনার প্রক্রিয়ায় নজরদারির দায়িত্ব দেওয়া হয় ৯ বিচারককে।
 
দ্বিতীয়বারের গণনায়ও সদরের জোটের জয়ী আসনের সংখ্যা কমেনি। নির্বাচন কমিশন অনুসারে, মাত্র একটি আসনে স্থান পরিবর্তন হয়েছে বাগদাদ জোট ও আল-ফাতিহ জোটের মধ্যে। 
 
ইরাকে সরকার গঠনের জন্য ৩২৯ আসনের মধ্যে ন্যূনতম ১৬৫টি আসন দরকার। সেজন্য এইবারের ইরাকের সরকার হবে বহুদলীয় জোট সরকার। 
 
আসন্ন পার্লামেন্ট সদস্যরা শীঘ্রই তাদের প্রথম অধিবেশনে বসবেন। তাতে নির্বাচিত করা হবে অধিবেশন পরিচালনার জন্য নতুন স্পিকার। ওই অধিবেশনের পর ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচিত করা হবে দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট। তারপর প্রেসিডেন্টের নির্দেশনায় গঠিত হবে সরকার। 
 
ইত্তেফাক/ জেআর