বাঞ্ছারামপুরে কালা মিয়ার কেটে নেওয়া পা এখনো উদ্ধার হয়নি

আপডেট : ২২ এপ্রিল ২০১৯, ২২:০১

উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতিসহ

১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

            ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি ও বাঞ্ছারামপুর সংবাদদাতা

 চারদিনেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরের কালা মিয়ার কেটে নেওয়া পা উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। বর্বরোচিত এ ঘটনার নায়ক উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি আবুল বাশার ও তার সাঙ্গপাঙ্গদের কেউই গ্রেফতার হয়নি। এ ঘটনায় আবুল বাশারকে প্রধান আসামি করে ১৪ জনের নামে মামলা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে আরো ১৫/২০জনকে।  ঘটনার শিকার কালা মিয়ার স্ত্রী সালমা আক্তার বাদী হয়ে রবিবার সকালে এই মামলাটি দায়ের করেন। এদিকে ঘটনার নায়ক আবুল বাশারকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। গত শুক্রবার উপজেলার রূপসদী গ্রামে পূর্ব বিরোধের জের ধরে আবুল বাশার ও তার সহযোগীরা কালা মিয়া (৪৫) এবং তার ছেলে বিপ্লব মিয়াকে (১৯) বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে টেঁটাবিদ্ধ করে। শতশত লোকের সামনে তারা এ ঘটনা ঘটায়। কালা মিয়া মাটিতে লুটিয়ে পড়লে ধারালো দা দিয়ে তার ডান পায়ের হাঁটু থেকে নিচ পর্যন্ত কেটে নিয়ে যায় বাশার ও তার সহযোগীরা। এসময় কালা মিয়ার ছেলে বিপ্লবের দুই পায়ের রগও কেটে দেয় তারা। তাদেরকে উদ্ধার করে প্রথমে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিত্সক তাদেরকে ঢাকায় প্রেরণ করেন। এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে কেটে নেওয়া পা উদ্ধারে অভিযান শুরু করে বাঞ্ছারামপুর থানা পুলিশ এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করে।

বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সালাহউদ্দিন চৌধুরী জানান, বিশাল এলাকা। পা কেটে কোথায় রেখেছে সেটি তারা ট্রেস করতে পারছেন না। বাশারকে ধরার জন্যেও চেষ্টা করছেন তারা। পুলিশ প্রধান আসামির বাড়ি থেকে দুইটি ট্রাক্টর  ও পাঁচটি বালু উত্তোলনের মেশিন জব্দ করে। এদিকে শনিবার রাতে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি হাসান ভূঁইয়া ও সাধারণ সম্পাদক আল আমিন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আবুল বাশারকে দল থেকে বহিষ্কারের কথা জানান।