কাপাসিয়া (গাজীপুর) সংবাদদাতা
উপজেলার টোক ইউনিয়নের আড়ালিয়া গ্রামে সোমবার দুপুরে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার পর স্বামী গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্যে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
ফাহিমার মা ফরিদা জানায়, উপজেলার টোক ইউনিয়নের বড়চালা গ্রামের মনিরের ছেলে অটোরিকশা চালক লিমনের সঙ্গে আড়ালিয়া গ্রামের ফজলুল হকের মেয়ে ফাহিমার পারিবারিকভাবে প্রায় ৯ মাস আগে বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েকমাস পর থেকে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকত। লিমন স্ত্রী ফাহিমাকে নানা সময় যৌতুকের জন্যে শারীরিকভাবে নির্যাতন করতো। এ অবস্থায় প্রায় তিন মাস আগে ফাহিমা তার বাবার বাড়ি চলে যান। গত রবিবার লিমন শ্বশুর বাড়িতে যায়। সকাল সাড়ে ১০টার পর তারা দুজন ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। বাড়ির লোকজন দুপুর ১২টার দিকে তাদেরকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ফাহিমাকে খাটে মৃত অবস্থায় ও লিমনকে স্ত্রীর ওড়না দিয়ে ঘরের ধরনার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ দুটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
কাপাসিয়া থানার ওসি আবু বকর সিদ্দীক জানান, ফাহিমার গলায় আঘাতের চিহ্ন দেখে ধারণা করা হচ্ছে লিমন স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে পরে নিজে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এ ব্যাপারে থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
