দিনাজপুরে বৃহস্পতিবার রাতে বাস ও ট্রাকের মধ্যে সংঘর্ষের পর আগুন ধরে যায়। এতে ঘটনাস্থলে দুই চালক দগ্ধ হয়ে মারা যান এবং কমপক্ষে ২৫ জন বাসযাত্রী আহত হন বলে জানা যায়।
এলাকাবাসী জানান, দিনাজপুর-পঞ্চগড় মহাসড়কের রামপুর বটতলা এলাকায় বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাস ও ট্রাকের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরে যানবাহন দুটিতে আগুন ধরে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই বাস এবং ট্রাকের সামনে অংশ পুড়ে যায়। খবর পেয়ে রাত ৯.৪৫ মিনিটে দিনাজপুর থেকে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট এসে আগুন নিভিয়ে ফেলে। রাত ৯.৩০ মিনিট থেকে ২টা পর্যন্ত ঢাকা-পঞ্চগড় যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল।
কাহারোল থানার এসআই এরশাদ আলী বলেন, কেয়া পরিবহনের একটি বাস পঞ্চগড় থেকে বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয়। কাহারোল উপজেলার রামপুর বটতলা নামক স্থানে পৌঁছালে বিপরীতমুখী একটি মালবাহী ট্রাকের সঙ্গে বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। পর যানবাহন দুটিতে আগুন ধরে যায়। অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই দুই চালক মারা যান।
নিহত ট্রাক চালক হলেন- যশোরের অভায়নগর থানার নয়াপাড়া গ্রামের মৃত মজনুর ছেলে মো. মিলন ও নাইট কোচ (বাস) কেয়া পরিবহনের চালক বগুড়া জেলার শাহাজানপুর থানার আব্দুল বারীর ছেলে আব্দুর রাজ্জাক।
এসময় বাসের কমপক্ষে ২৫ জন যাত্রী আহত হন। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। দুই লাশ উদ্ধারে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুর ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আকতার হামিদ।
দিনাজপুর ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক আনিছুর রহমান জানান, তারা গাড়ির ভেতর থেকে ২ চালকের দগ্ধ মৃত দেহ উদ্ধার করে এম. আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে পাঠান। ময়না তদন্ত শেষে ট্রাক ও বাস চালকের লাশ নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/আরকেজি
