ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সড়কে দোকান বরাদ্দ

আপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৬:১৩
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার গোকর্ণঘাট বাজারে সড়কের উপর দোকান বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই সেখানে ঘর তুলে ফেলা হয়েছে। নৌপথে আসা যাত্রীরা অভিযোগ করেন, এতে করে পণ্য উঠানামা করানো ও নৌ যাত্রীদেরকে চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
 
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, গোকর্ণঘাট বাজারের পশ্চিম প্রান্ত থেকে ছোট ছোট নৌযান বিভিন্ন এলাকার দিকে ছেড়ে যায়। ওইসব নৌযান দিয়ে বিভিন্ন পণ্য আনা নেয়াসহ আশেপাশের একাধিক উপজেলার লোকজন চলাচল করে। নৌযানের যাত্রীরা যে সড়ক দিয়ে চলাচল করে ও যেখান দিয়ে পণ্য উঠানামা করানো সেই রাস্তাটি পাকা করা। পাকা ওই রাস্তার বেশিরভাগ অংশ জুড়ে টিনের ঘর উঠানো। ফলে পণ্য উঠানো নামানো ও যাত্রীদের চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। 
 
গোকর্ণঘাট বাজারের ব্যবসায়ী মো. ইয়াকুব মিয়া বলেন, ৫১ বছর যাবত এ বাজারে ব্যবসা করছি। যেখানে ঘর তোলা হয়েছে সেখান দিয়েই আমরা মালামাল উঠানামা করতাম ও নৌযানের যাত্রীরাও এ পথ দিয়েই চলাচল করতো। কিন্তু এখানে ঘর উঠানোয় আমাদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। 
 
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও গোকর্ণঘাট বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. ফেরদৌস মিয়া বলেন, জায়গাটি সরকারি। কিন্তু মানুষের সুবিধার কথা চিন্তা করে আমরা রাস্তাটি পাকা করে দেই। রাস্তা পাকার করার পরই সরকারি লোকজন এসে এখানে ঘর তুলে দিয়ে যায়। বলা হয়, জায়গাটি লিজ দেয়া হয়েছে। এতে পণ্য উঠানো নামানো ও যাত্রীদের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। 
 
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সোহেল রানা বলেন, ওই জায়গাটি প্রায় এক বছর আগে পেরিফেরি করা হয়। যে জায়গাটিতে পাকা রাস্তা করা হয়েছে সেখানে দোকান বরাদ্দ দেয়া হয় মাস চারেক আগে। কয়েকজন অবৈধ দখলদার উদ্দেশ্যমূলকভাবে কিছুদিন আগে ওই জায়গায় পাকা সড়ক নির্মাণ করে। জনগণের স্বার্থের কথা অবশ্যই চিন্তা করতে হবে। ওইখানে সরকারি জায়গায় যেসব অবৈধ স্থাপনা আছে সেগুলো সরিয়ে নিলেই চলাচলের রাস্তা বের হবে। কিছুদিনের মধ্যেই সেখানে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে।      
 
ইত্তেফাক/জেডএইচ