কক্সবাজারের টেকনাফে চাকমার কূল রোহিঙ্গা বস্তিতে অপহরণ করে হত্যা চেষ্টার সময় রক্তাক্ত অবস্থায় ৩ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো নিখোঁজদের উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সোমবার সকালে উপজেলার হোয়াইক্যং চাকমার কূল রোহিঙ্গা বস্তির লোকজন থেকে খবর পেয়ে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ রনজিত কুমার বড়ুয়া, হোয়াইক্যং পুলিশের বিশেষ ফোর্স নিয়ে আইসি দীপংকর কর্মকার এবং ক্যাম্প নিরাপত্তায় নিয়োজিত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্যাম্প সংলগ্ন বালুখালী ক্যাম্পের জামাল মোস্তফার ছেলে খালেদকে (৩০) গলা কাটা ও রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে।
এলাকাবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে কুতুপালং ক্যাম্পের শফিক হোছনের ছেলে নুরুল আলম (৪৫) ও কুতুপালং লম্বাশিয়ার আব্দুল গাফ্ফারের ছেলে আনোয়ারের রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কুতুপালং হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে একটি সূত্রের দাবি, গতরাতে বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১ এর বি-৩ বাসিন্দা মৃত ছৈয়দ হোছনের ছেলে জামাল মোস্তফা (৫০), তার ছেলে খালেদ (২২), কুতুপালং ক্যাম্পের ই-৩ বাসিন্দা শফিক হোছনের ছেলে নুরুল আলম (৪৫), কুতুপালং লম্বাশিয়া ই-৩ বাসিন্দা আব্দুল গাফ্ফারের আনোয়ারসহ (৪০) ৬জনকে চিহ্নিত একটি চক্র অপহরণ করে নিয়ে যায়। ভোরে পোশাক পরিহিত একটি গ্রুপ বাংলাদেশি আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে ধরে নিয়ে জবাই করে হত্যার চেষ্টা করে। এদের মধ্যে ৩জনকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করা হলেও জামাল মোস্তফাসহ অপর ৩জন এখনো নিখোঁজ রয়েছে। পাহাড়ে তাদের উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি রনজিত কুমার বড়ুয়া রক্তাক্ত অবস্থায় ৩জনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য প্রেরণের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
ইত্তেফাক/আরকেজি
