বৃক্ষরোপণ সম্পর্কে

আপডেট : ২৩ এপ্রিল ২০১৯, ২১:৪০

দেশের নদী-নালা, খাল-বিল, সড়ক-মহাসড়ক, রেলপথ ও বন বিভাগের সকল রেঞ্জে উচ্চফলনশীল ফলদ বৃক্ষ রোপণ করার ব্যবস্থা করুন। নদী-নালা, খাল-বিল, সড়ক-মহাসড়ক, রেলপথের দুপাশে ব্যক্তি মালিকানায় লিজ দিয়ে কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও সহযোগিতায় বৃক্ষরোপণ করলে সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি, বিশাল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, পুষ্টির জোগান, ঝড় তুফান বন্যা খরা প্রতিরোধ, ভাঙন প্রতিরোধ, পরিবেশ দূষণমুক্ত করাসহ বিবিধ সুফল পাওয়া যাবে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় সহায়ক হবে। এছাড়া বন বিভাগের সকল রেঞ্জে বন বিভাগের কর্মজীবীদের সহযোগিতা ও কৃষি বিভাগের পরামর্শ নিয়ে উচ্চ ফলনশীল ফলদ বৃক্ষ রোপণ করার বিষয়টিও বিবেচনা করা যেতে পারে। অফিস-আদালত, সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মজীবীগণ একক, একাধিক ব্যক্তি সংঘবদ্ধ হয়ে এসব প্রতিষ্ঠানের আঙিনায় খালি জায়গায় লাউ, শিম, টমেটো, বেগুন, শাক ইত্যাদি চাষাবাদ করে যাঁরা শ্রম ও অর্থ বিনিয়োগ করবেন—তাঁরা এগুলি নিজেদের মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারা করে নেবেন। এই সুবিধা না দিলে কেউ এতে উত্সাহী হবে না। 

আব্বাস উদ্দিন আহমদ

ধোপাদিঘির দক্ষিণ পাড়,

সদর, সিলেট ৩১০০