‘নারীর কথা শুনবে বিশ্ব, কমলা রঙে নতুন দৃশ্য’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ১৬ দিনব্যাপী প্রচারাভিযান শুরু করেছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস ও পক্ষ উপলক্ষে ইউএনএফপিএ ও ইউএনওমেনের সহযোগিতায় গতকাল রবিবার এই প্রচারাভিযানের উদ্বোধন করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি। রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এর উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসিমা বেগম এনডিসি ও বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউএন রেসিডেন্ট কো-অর্ডিনেটর মিয়া সেপো। আরও বক্তব্য রাখেন দীপ্ত ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জাকিয়া কে হাসান, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাল্টিসেক্টরাল প্রকল্পের পরিচালক ড. আবুল হোসেন, ন্যাশনাল ইয়ূথ অ্যাডভাইজরি প্যানেলের সদস্য শহীদা আক্তার স্বর্ণা, আলমগীর হোসেন, ইউএন ইয়ূথ অ্যাডভাইজরি প্যানেলের সদস্য নওশীন চৌধুরী প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। যেখানে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে সেখানে সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নিচ্ছে। অপরাধীকে আটকের ক্ষেত্রে সরকার প্রায় শতভাগ সফল। কিন্তু নির্যাতন বন্ধ করা কেবল সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এই বিষয়ে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। সকলের মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাল্য বিবাহও এক ধরনের নারী নির্যাতন। ১৮ বছরের নিচে কোনো শিশুর বিবাহ বরদাশত করা হবে না। এই বিষয়ে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। নতুন আইন অনুযায়ী বাল্য বিবাহের সাজা ও জরিমানা বৃদ্ধি করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে জাতীয় কর্ম-পরিকল্পনার (২০১৮-২০৩০) মোড়ক উন্মোচন করেন প্রতিমন্ত্রী। এই পরিকল্পনার সুষ্ঠু বাস্তবায়নের মাধ্যমে নারী ও শিশু নির্যাতন অনেকাংশে কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
