নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে একটি তিনতলা ভবনে বিকট শব্দে ‘গ্যাস বিস্ফোরণে’ হতাহতের ঘটনায় পুলিশ ও তিতাস গ্যাস কোম্পানির পক্ষ থেকে পৃথক মামলা করা হয়েছে। বাড়ির মালিক রাবেয়া আক্তার মিলিকে আসামি করে মামলা দুটি করে তারা। অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ নিয়ে অবহেলা ও তাচ্ছিল্লপূর্ণভাবে ব্যবহারের ফলে গ্যাস বিস্ফোরিত হয়ে মৃত্যু ও গুরুতর জখমের অপরাধে পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা করেন রূপগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক রোকনুজ্জামান।
আর অবৈধভাবে গ্যাস লাইন স্থাপন করে গ্যাস চুরি করার অপরাধে তিতাস গ্যাস কোম্পানির পক্ষ থেকে মামলা করেন তিতাস গ্যাস কোম্পানির আবিবি সোনারগাঁও (জোবিঅ-সোনারগাঁও) এর উপ-মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মিজবাহ উর রহমান। গত ২২ এপ্রিল ভোরে উপজেলার সাওঘাট এলাকায় তিতাস গ্যাস বিস্ফোরিত হয়ে তিন জন পোশাক কারখানার শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এসময় আহত হয়েছেন আরো ছয় জন। তিতাস গ্যাসের হাই-প্রেসার পাইপ লাইন থেকে নেয়া অবৈধ গ্যাস সংযোগের কারণেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে দুটি মামলার অভিযুক্ত আসামি রাবেয়া আক্তার মিলিকে গ্রেফতারের পর ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নাজিম উদ্দিন আহাম্মেদ বলেন, মামলাটির তদন্ত নিয়ে এগুচ্ছি। হয়তো এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আরো কিছু তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে। নিহতরা হলেন শামিম (৩০), হেলাল বিশ্বাস ওরফে রাকিব (২৫) ও তরিকুল ইসলাম। নিহত তিন জনই স্থানীয় একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক হিসেবে কাজ করে আসছিলেন। গুরুতর আহত লিয়াকত ও আরিফের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বার্ন ইউনিটে ভর্তি রয়েছেন।
