যাত্রাপালা বাংলাদেশের লোকসংস্কৃতির অমূল্য সম্পদ। ‘যাত্রাশিল্প উন্নয়ন নীতিমালা ২০১২’ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি বেশকিছু কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। যাত্রাশিল্পের নবযাত্রা শীর্ষক ৫টি নতুন যাত্রা প্রযোজনা নিয়ে গতকাল থেকে ৩ দিনব্যাপী যাত্রা উত্সব শুরু হয়েছে। একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে প্রদর্শিত হবে যাত্রাগুলো। গতকাল উদ্বোধনী আলোচনা শেষে সন্ধ্যা ৭টায় এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে মিলন কান্তি দের পালা রচনা ও নির্দেশনায় দেশ অপেরা প্রযোজিত যাত্রাপালা ‘এক যে ছিল মহারানি’ এবং মামুনুর রশীদের পালা রচনা ও হাবিব সারোয়ারের নির্দেশনায় জয়যাত্রা প্রযোজিত যাত্রাপালা ‘দ্বীপের নাম আন্ধার মানিক’ পরিবেশিত হয়।
উল্লেখ্য, শিল্পে ঐক্যতানের সমন্বয়ে দেশজ ও আন্তর্জাতিক সংস্কৃতি চর্চা লালন ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। নাটক, পাপেট, চলচ্চিত্র, যাত্রা প্রভৃতি বিষয় নিয়ে এরইমধ্যে বেশকিছু কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে একাডেমির নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগ। এরমধ্যে অন্যতম যাত্রাপালা। যাত্রাপালা আমাদের দেশের সুদূর অতীতে গ্রামে সুরুচিপূর্ণ ও আকর্ষণীয় বিনোদন হিসেবে দর্শককে বিপুল আনন্দ প্রদান করতো এবং বিনোদনের অন্যতম শিল্প মাধ্যম ছিল যাত্রাপালা। যাত্রাপালার পুরোনো সেই ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে ও যাত্রাশিল্পেকে দর্শকনন্দিত করার জন্য শিল্পকলা একাডেমি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
