২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৯ জন আসামির মধ্যে তিনজনের বাড়ি ঝিনাইদহ জেলায়। তারা হচ্ছেন, শৈলকূপা উপজেলা বকশীপুর গ্রামের আবুল কালাম আজাদ বুলবুল। তার বাবার নাম মুন্সি আতর অলি। অপরজন হলেন, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পবহাটি গ্রামের বেলায়েত আলির ছেলে উজ্জ্বল ওরফে রতন। আরেকজন হলেন, আবদুর রউফের ছেলে হুসাইন আহেমেদ তামিম। তার বাড়ি কালিগঞ্জ উপজেলার ফয়লা গ্রামে।
আবুল কালাম আজাদ বুলবুল ছিলেন এক সময় যাত্রা দলের নাচিয়ে। তিনি নর্তকী সেজে নাচতেন। এরপর ১৯৯১ সালে শৈলকূপা উপজেলার গাড়াগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডের পাশে মাওলানা আলাউদ্দিনের মেয়ে শরিফা বেগমকে বিয়ে করেন। গাড়াপঞ্জ বাসস্ট্যান্ডের জামে মসজিদের পাশে একটি ঘর ভাড়া নিয়ে দর্জির দোকান খোলেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, এসময় তিনি মুফতি হান্নানের অনুসারী হন। তার সঙ্গে আরো বেশ কয়েকজন যোগ দেন। মুফতি হান্নান মাঝে মধ্যে বুলবুলের দোকানে আসতেন। অনুসারীদের নিয়ে ঘরোয়া বৈঠক করতেন।
বুলবুলের স্ত্রী শরিফা খাতুন বলেন, ২০০৭ সালে র্যাব তার স্বামীকে ধরে নিয়ে যায়। পরে জানতে পারেন স্বামী গ্রেনেড হামলা মামলার আসামি। তিনি বলেন, জেলখানায় স্বামীর সঙ্গে কয়েকবার দেখা করেছেন। সেখানে সাংসারিক আলাপ ছাড়া অন্য কোন বিষয়ে আলাপ হয়নি।
উজ্জ্বল রতনের বাবা বেলায়েত আলি জানান, তার ছেলে উজ্জ্বল রতন ঝিনাইদহ শহরে বাইসাইকেল মেরামতের কাজ করতেন। তাদের পাড়ার কিংকন ও মসজিদের ইমাম আরিফ বিল্লাহের সঙ্গে চলাচল ছিল। তারপর মুফতি হান্নানের সঙ্গে পরিচয় হয়।
তিনি আরো বলেন, জেলখানায় ছেলের সঙ্গে দেখা করতে গেলে সে এসব কথা বলে। ২০০৭ সালে র্যাবের হাতে গ্রেফতারের পর জানতে পারেন ছেলে গ্রেনেড হামলা মামলার আসামি।
ইত্তেফাক/জেডএইচ
