আয়ারল্যান্ডে নজর বাংলাদেশের

আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০১৯, ২১:২১

স্পোর্টস রিপোর্টার

বিশ্বকাপে ভালো কিছু করার জন্য তামিম ইকবালের ওপর ভরসা করার কোনো বিকল্প বাংলাদেশের নেই। বিশেষ করে ইংল্যান্ডে রেকর্ডের কারণেই তার ওপর নজর থাকবে অনেক বেশি। তবে তামিম ইকবাল মনে করছেন, বিশ্বকাপে বাংলাদেশ কেমন করবে, তার নিয়ামক হয়ে উঠবে আয়ারল্যান্ড সিরিজ। আর এই সিরিজেই তাই গুরুত্ব বেশি দিচ্ছেন তামিম।

আয়ারল্যান্ডের কন্ডিশনের কারণেই বাংলাদেশের জন্য ওখানে খেলাটা কঠিন হবে। বিশ্বকাপের আগে এখানকার কয়েকটা দিন খুব গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে বলে তার বিশ্বাস, ‘আমার কাছে মনেহয় কন্ডিশনটা একটা চ্যালেঞ্জ হবে। কারণ আয়ারল্যান্ড এমন একটা দেশ যেখানে আমরা খুব বেশি খেলি নাই। শেষ যেবার খেলেছিলাম, তখনও উইকেট খুব একটা সহজ ছিল না। তাই আমার কাছে মনেহয় আগের সাতটা দিন এবং প্রস্তুতি ম্যাচটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম ম্যাচটা আমরা কীভাবে শুরু করি সেটা খুব ইম্পর্ট্যান্ট হবে। কারণ, সেখানে আরও একটা প্রতিপক্ষ থাকবে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, যারা এখন খুব ভালো ফর্মে আছে।’

আয়ারল্যান্ড সিরিজটা খেলার ফলে বাংলাদেশকে খুব অল্প সময়ের মধ্যে অনেকগুলো ম্যাচ খেলতে হবে। এই চাপটা একটু নেতিবাচক হতে পারে বলে মনে করেন তামিম। তাই এখানে খেলোয়াড়দের ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বিশ্রাম দেওয়ার পক্ষে তিনি, ‘নেগেটিভ যদি ধরতে হয় তাহলে একটাই নেগেটিভ পার্ট আছে। সেটা হলো, আমরা হয়তোবা দেড় মাসের মধ্যে ১৩-১৪টা ম্যাচ খেলবো। কারণ, ওইসব কন্ডিশনে আমরা খুব বেশি খেলার সুযোগ পাই না। আমার কাছে মনেহয়, দ্য কি উইল বি টু রেস্ট পিপল। কারণ, আমরা সবাই জানি যে বিশ্বকাপে আমরা বিশ্রাম দিতে পারবো না। ফলে আমাদের ওখানে (আয়ারল্যান্ডে) পাঁচটা ম্যাচ খেলার সুযোগ থাকবে ওখানে দু-একটা ম্যাচ করে যদি একটু চেঞ্জ করা হয় সেটা খুব ভালো হবে।’

তামিম জানেন যে, এই আয়ারল্যান্ড সিরিজ বা বিশ্বকাপে তার ওপর ভরসা করবে দল। কিন্তু এগুলো নিয়ে ভাবতে চান না তিনি। এমনকি ইংল্যান্ডে নিজের আগের সাফল্য নিয়েও ভাবতে চান না, ‘এগুলো নিয়ে আমি একটা ফোটাও ভাবি না যে, আমি ইংল্যান্ডে ভালো করেছি। আমার কাছে মনেহয় যে যদি আমি এগুলো ভাবি, তাতে আমার উপকার হবে না। আরও বেশি ডিফিকাল্ট হবে যদি আমি বিশ্বকাপে সফল হতে চাই। আমাকে শূন্য থেকে শুরু করতে হবে। তাই কি করেছি ইংল্যান্ডের মাটিতে, সেটা নিয়ে আমি খুব বেশি ভাবি না।’

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে বড় রান তাড়া করা। বাংলাদেশ এই ব্যাপারটায় খুব অভ্যস্ত নয়। তামিম বলছিলেন, ওখানে অনেক বড় বড় স্কোর হতে পারে, ‘দেখেন এই একটা জিনিসে আমরা খুব একটা অভ্যস্ত নই—৩৪০-৩৫০ রান তাড়া করা। সাথে এটাও আমরা জানি যে, বিশ্বকাপে হয়তো বেশিরভাগ ম্যাচেই আমাদের ২৮০-৩০০-৩২০ চেজ করতে হবে। ফলে এটা নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে। একারণেই এই ট্রেনিং সেশনগুলো বা যে পাঁচটা ম্যাচ আমরা খেলবো আয়ারল্যান্ডে, সেগুলো এত ইম্পর্ট্যান্ট।’