বাংলাদেশকে নিয়ে কিরগিজস্তান সেমিতে

আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০১৯, ২১:৩২

 

স্পোর্টস রিপোর্টার

বঙ্গমাতা আন্তর্জাতিক (অনূর্ধ্ব-১৯) গোল্ডকাপ ফুটবলে কিরগিজস্তান ২-১ গোলে আরব আমিরাতকে হারিয়েছে। এই এক জয়ে কিরগিজস্তান সেমিফাইনালে উঠে গেছে সেই সঙ্গে বাংলাদেশও সেমিফাইনালের টিকিট পেয়ে গেল। কারণ ‘বি’ গ্রুপ হতে আরব আমিরাত কাল দ্বিতীয় হারে টুর্নামেন্ট হতে বিদায় নিয়েছে। আরব আমিরাত দুই খেলায় হেরে যাওয়ায় কিরগিজস্তান ও বাংলাদেশের সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়। সেই সঙ্গে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় বাংলাদেশ গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে।

বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগের দিন আরব আমিরাতের মহিলা কোচ হুরেইরা হুসেন আল তাহিরি অনেক গর্ব করে বলেছিলেন, তারাই এই টুর্নামেন্টের ফেভারিট। কিন্তু মাঠে নেমে সেটা প্রমাণ করতে পারেনি। প্রথম খেলায় বাংলাদেশের কাছে ২-০ গোলে হারে আরব আমিরাত আর গতকাল দ্বিতীয় এবং শেষ খেলায় কিরগিজস্তানের কাছে হারল ২-১ গোলে।

নিজেদের গ্রুপের শেষ খেলায় বাংলাদেশ ও কিরগিজস্তান মুখোমুখি হবে আগামীকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায়। এই দলের বিপক্ষে লড়াই করা বাংলাদেশের জন্য কঠিন হবে। কারণ কিরগিজ ফুটবলাররা টেকনিকে অনেক বেশি এগিয়ে।

গতকাল রাতে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে আরব আমিরাতের জন্য ম্যাচটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ। জয়ের বিকল্প ছিল না। আর কিরগিজস্তান জিতলে তারা সেমিফাইনালে উঠে যাবে। কিরগিজস্তান দারুণ খেলে গোল আদায় করে নেয় খেলার ৭ ও ১৮ মিনিটে।

বিশ্বমানের গোল করেছেন কিরগিজ ফুটবলার বরোন বেকভা কর্নার করেন। সেই বল বাঁক খেয়ে আরব  আমিরাতের জালে ঢুকে যায় ১-০। গোল ছিল দেখার মতো। বড়দের ফুটবলেও এমন গোলের দেখা মেলা ভার। বরোন বেকভা দারুণ খেলেন। তার উত্স হতে দলের দ্বিতীয় গোল করেন বরোবেকভা আইজান। আরব আমিরাতের গোলকিপার ওয়ালিদ মালামাল্লার হাত ফসকে বল বেরিয়ে গেলে হেড করে জালে রাখেন বরোবেকভা আইজান ২-০।

হ্যান্ডবল হওয়ায় পেনাল্টি হতে প্রথমার্ধেই আরব আমিরাতের খালেদ আর জারকান গোল করেন ১-২। দ্বিতীয়ার্ধে অনেক নাটকীয়তা হয়েছে। আরব আমিরাত পেনাল্টি পেয়ে গোল করতে পারেনি। সেনদিয়া আল মরাজুকি বারের উপর দিয়ে বাইরে পাঠান বল। এই গোলটি হয়ে গেলে খেলার মোড় ঘুরে যেতেও পারত। কিরগিজস্তানের আক্রমণভাগে যে ফুটবলার গোল করেছেন, গোল করিয়েছেন সেই বরেন বেকভা অযথা আরেক জনের মুখে খোঁচা মেরে লালকার্ড পান ৮৭ মিনিটে। আরব আমিরাতের কোচ হুরাইয়া আল তাহিরি খেলা শেষে বলে গেছেন, তাদের ভাগ্য খারাপ ছিল।