রানা প্লাজায় নিহতদের প্রতি বিজিএমইএর শ্রদ্ধা

মজুরি নিয়ে টিআইবির রিপোর্ট একপেশে —বিজিএমইএ সভাপতি

আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০১৯, ২২:০০

ইত্তেফাক রিপোর্ট

গার্মেন্টস খাতে শ্রমিকদের মজুরি বাড়লেও তা প্রকৃতপক্ষে ২৬ শতাংশ কমে গেছে বলে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-টিআইবি যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, তা একপেশে বলে মন্তব্য করেছেন বিজিএমইএর সভাপতি ড. রুবানা হক। কিছুদিন আগে অ্যাকশনএইড প্রকাশিত রানা প্লাজায় আহতদের একটি রিপোর্টকেও তিনি অসঙ্গতিপূর্ণ বলে অভিহিত করেছেন। রানা প্লাজা ধসের ৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে গতকাল ২৪ এপ্রিল প্রথম প্রহরে রাজধানীর জুরাইন কবরস্থানে নিহতদের শ্রদ্ধা জানাতে এসে তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

এর পর গতকাল সন্ধ্যায় বিজিএমইএর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে একটি বিবৃতি গণমাধ্যমে পাঠানো হয়। এতে প্রতিবেদনের তিনটি বিষয়ে দ্বিমত প্রকাশ করে টিআইবির গবেষণা পদ্ধতি বিজিএমইএর সঙ্গে ‘শেয়ার’ করার অনুরোধ জানানো হয়। বিজিএমইএর পক্ষ থেকে বলা হয়, বার্ষিক পাঁচ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট যোগ করায় সামগ্রিক ইনক্রিমেন্টের হার দাঁড়ায় ২৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ। সেখানে মজুরি কাঠামোতে মূল মজুরি বেড়েছে প্রায় ২৯ শতাংশ থেকে ৩৭ শতাংশ পর্যন্ত। কিন্তু ৮০টি কারখানাকে স্যাম্পল হিসেবে নিয়ে সামগ্রিক পোশাক কারখানা নিয়ে ঢালাও প্রতিবেদন প্রকাশ করে শিল্পকে হেয় করা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

জুরাইন কবরস্থানে যাওয়ার আগে ইত্তেফাকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, রানা প্লাজা দুর্ঘটনার ছয় বছরে বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাতে কর্মপরিবেশ ও শ্রম অধিকার রক্ষায় অসাধারণ অগ্রগতি হয়েছে। মালিক ও শ্রমিকপক্ষের দূরত্ব কমেছে। এখন পোশাকের ন্যায্য দর পাওয়া ও অপেক্ষাকৃত ছোট গার্মেন্টস কারখানাকে রক্ষা করাই মূল চ্যালেঞ্জ।

জুরাইনে রানা প্লাজায় নিহতদের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে সভাপতি ছাড়াও সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি ফয়সাল সামাদ, এম এ রহিম ফিরোজ ও অন্যান্য পরিচালক ও বিজিএমইএ’র কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।