টঙ্গীতে গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার, আটক ৩

আপডেট : ২৫ এপ্রিল ২০১৯, ০০:২৭

গাজীপুরের টঙ্গীর পাগাড় এলাকা থেকে নূরজাহান বেগম (৩৩) নামে এক গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিহতের স্বামী জহিরুল ইসলাম, দোকানের কর্মচারী মো. রুবেল ও জহিরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগমকে আটক করা হয়েছে। নিহত নূরজাহান নোয়াখালীর চাটখিল থানার মোল্লাপতন গ্রামের নূরুল হকের মেয়ে।

স্থানীয়রা জানান, নূরজাহান বেগম ও তার স্বামী স্থানীয় মুদি ব্যবসায়ী জহিরুল ইসলাম পাগাড় ফরিদ খান রোডের একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করতেন। জহিরুল ইসলাম এর আগে আরও দুই বিয়ে করেন। কিছুদিন যাবত্ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কলহ চলছিল। গত মঙ্গলবারও দিনভর স্বামীর সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় নূরজাহান বেগমের। রাতে বাসায় ফিরে স্বামী জহিরুল ইসলাম দরজা খোলার জন্য বাসার কলিংবেল চাপলেও ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে বিষয়টি তিনি বাড়িওয়ালাকে জানান। বাড়িওয়ালা তখন পুলিশকে খবর দেন। পরে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশের এসআই মেজবাহ উদ্দিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ঘরের মেঝে থেকে নূরজাহান বেগমের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেন। পরে নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর মর্গে প্রেরণ করা হয়।

টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মো. কামাল হোসেন জানান, দরজা ভেঙে ঘরের মেঝে থেকে নূরজাহান বেগমের লাশ উদ্ধার করা হয়। অপর একটি কক্ষের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না ঝুলানো ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে গলায় ফাঁস নিতে ব্যর্থ হয়ে তিনি ধারালো দা দিয়ে নিজের গলা কেটে আত্মহত্যা করেন।