‌‘সোনার বাংলা গড়তে শিক্ষার্থীদের একযোগে কাজ করতে হবে’

আপডেট : ৩০ অক্টোবর ২০১৮, ১৭:৩২
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ক্ষুধা, দারিদ্র ও বৈষম্যমুক্ত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে তরুণ শিক্ষার্থীদের একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।তিনি তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে নিজেদের বিশ্ব নেতৃত্ব দেয়ার উপযোগী করে গড়ে তুলতেও তরুণ সমাজের প্রতি আহ্বান জানান।
 
 
তিনি আজ মঙ্গলবার ঢাকার ধানমন্ডিতে ইউনিভারসিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ এর ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
 
স্পিকার বলেন, তরুণ শিক্ষার্থীরাই সমাজ পরিবর্তনের দূত। তরুণরাই ইতিবাচক পরিবর্তন এনে গড়ে তুলবে সমৃদ্ধশালী ভবিষ্যত বাংলাদেশ। সে কারণে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনে সচেষ্ট থেকে জ্ঞান নির্ভর শিক্ষা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
 
স্পিকার বলেন, তরুণ প্রজন্ম ভবিষ্যতে নেতৃত্ব দিবে। উদ্ভাবনী কৌশল এবং গবেষণা কর্মের মাধ্যমে বিশ্বকে গড়ে তুলতে হবে। বর্তমান বিশ্বের প্রত্যেক নাগরিক তথ্য-প্রযুক্তি এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত।
 
ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, বিশ্বে বাংলাদেশ আজ দ্রুত অগ্রসরমান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বর্তমান সরকার তৃণমূলে সব সুবিধা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিগত দশ বছরে দারিদ্রের হার ৪০ শতাংশ থেকে ২২ শতাংশে নেমে এসেছে, মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যু হ্রাস, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, বয়স্ক ও বিধবা ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান করছে। রপ্তানী আয়, রিজার্ভ ও রেমিট্যান্সসহ সামাজিক ও অর্থনৈতিক সব সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান আজ সুদৃঢ়। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়শীল দেশে উন্নীত হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।
 
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে, ২০২৪ সালের মধ্যে পরিপূর্ণ উন্নয়নশীল দেশে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশে পরিণত হবে।
 
স্পিকার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে জ্ঞান কেন্দ্র। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদেরকে সহনশীল পর্যায়ে খরচের মধ্যে পড়ার সুযোগ করে দেয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ করেন।
 
এ সময় তিনি মৌলিক শিক্ষার পাশাপাশি বিশেষায়িত শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। শিক্ষার্থীদের গুণগত উচ্চশিক্ষা প্রদান করায় ইউল্যাব বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশংসা করেন তিনি। শিক্ষার্থীদের জন্য ইউল্যাব বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা প্রদানের বিষয়টিও অনুসরণযোগ্য বলে স্পিকার উল্লেখ করেন।
 
ইত্তেফাক/কেকে