শহরের বুকে তখনোও ভোর নামেনি। তবুও পান্থপথে উপস্থিত শতশত তরুণ। খানিক সময় গড়ালে দেখা মেলে কিছু তরুণীরও। সকাল ৯টা বাজা মাত্রই হুড়মুড় করে সবাই ঢুকে পড়ল বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সের ভেতর! সবার উদ্দেশ্য একটাই—‘অ্যাভেঞ্জার্স; অ্যান্ড গেম’-এর টিকেট কেনা। ব্লকবাস্টার সিনেমাসের দৃশ্য ছিল এমন।
আজ বিশ্বের বেশকিছু দেশের সঙ্গে একযোগে মুক্তি পাচ্ছে অ্যাভেঞ্জার্স সিরিজের শেষ সিনেমাটি। বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও সুপার হিরোদের শেষ দেখতে অদ্ভুত এক ক্রেজ শুরু হয়েছে। তাইতো সিনেমা হলের সামনের পরিস্থিতি রীতিমতো যুদ্ধের মতো।
সিনেপ্লেক্সের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘এর আগেও এমন পরিস্থিতি হয়েছে। তবে এবার অন্য বারের তুলনায় একটু বেশি। আমরাও টিকেট দিতে হিমশিম খাচ্ছি। টিকেটের জন্য এমন লাইন রোজার আগ পর্যন্ত থাকবে বলে আমি মনে করি।’
স্টার সিনেপ্লেক্সের টিকেট কাউন্টারের একজন বলেন, ‘আমরা একজনকে পাঁচটির বেশি টিকেট দিচ্ছি না। যাঁরা লাইনে দাঁড়াচ্ছেন তাঁদের বেশিরভাগই পাঁচটির কমে নিচ্ছেন না।’
মিরপুর থেকে ভোর ৫টায় টিকেট কিনতে আসেন মাহমুদুর রহমান। তিনি বলেন, ‘অনেকেই আমাদের আগে এসে শপিংমলের সামনে শুয়ে ছিলেন। যখন গেট খোলা হলো সবাই হুড়মুড় করে ডুকেছে। আমি টিকেট পেয়েছি দুপুর ১২টায়।’
দুপুর ১২টায় টিকেট কাটতে এসেছিলেন রিনি মণ্ডল। তিনি বলেন, ‘আজ অগ্রীম টিকেট পাবো কি-না সন্দেহ। যাঁরা ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছেন তাঁরা নিতে পারছেন।’
উল্লেখ্য, ভারতসহ অন্যান্য দেশেও টিকেটের জন্য হাহাকার বেড়েই চলেছে। গতকাল পর্যন্ত ভারতে প্রায় ১৭ লাখ অগ্রীম টিকেট বিক্রি হয়েছে বিভিন্ন সিনেপ্লেক্সে। কোথাও কোথাও এই সিনেমার টিকেট বিক্রি হচ্ছে ৫০০ ডলারে!
