শীতকালে চুলে খুশকির সমস্যার পাশাপাশি অনেকের দাড়িতেও খুশকি দেখা যায়। এখন পুরুষদের মধ্যে দাড়ি রাখার প্রবণতা বেড়ে গেছে। শীতে দাড়ি রাখার যেমন সুবিধা আছে, তেমনই স্কিন কেয়ার রুটিন মেনে না চললে বিভিন্ন সমস্যাও দেখা দিতে পারে। মাথার চুলের মতো দাড়িও যত্ন নিতে হবে।
দাড়িতে খুশকির কারণে একাধিক সমস্যা হতে পারে। খুশকির প্রভাবে চুলকানি, স্কিন র্যাসেস ও ফুসকুড়ি দেখা দেয়। চুলের খুশকি শ্যাম্পু ও নানা উপায়ে দূর করা গেলেও দাড়ির খুশকি দূর করাটা একটু মুশকিল। কারণ ভুল উপায়ে দাড়ির যত্ন নিলে ত্বকের ক্ষতি হয়। তাহলে জেনে নিন কীভাবে দাড়ির খুশকি থেকে মুক্তি পাবেন।
- আমাদের চুলের যেমন পুষ্টির প্রয়োজন, তেমনি দাড়িরও যত্ন নিতে হবে। এক্ষেত্রে প্রথমে অ্যালোভেরা জেল নিয়ে তার সঙ্গে নারকেল তেল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নেবেন। মনে রাখবেন দাড়ির দৈর্ঘ্য অনুযায়ী মিশ্রণটি প্রস্তুত করতে হবে। এবার এই মিশ্রণটি দাড়িতে লাগিয়ে আধ ঘণ্টা পর পানি দিয়ে পরিষ্কার করে চিরুনির সাহায্যে দাড়ি সেট করে ফেলুন। শ্যাম্পু বা অন্যান্য প্রসাধনী প্রয়োগ করার প্রয়োজন নেই।
- দাড়ি সাধারণত মাথার চুলের চেয়ে শক্ত হয়। দাড়ি অযত্ন অবহেলায় থাকলে সেগুলো শুষ্ক এবং প্রাণহীন দেখায়। এর জন্য একটি স্প্রে বোতলে এক কাপ পানি ও গ্লিসারিন মিশিয়ে নিয়ে মুখে এবং দাড়িতে স্প্রে করুন। শুষ্ক ত্বককে ঘন ঘন ময়শ্চারাইজ করা প্রয়োজন। এটি ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করার পাশাপাশি দাড়িতেও পুষ্টি জোগাবে।
- সাধারণ শ্যাম্পু দিয়ে দাড়ি পরিষ্কার না করে হার্বাল শাম্পু ব্যবহার করতে পারেন। দাড়িতে খুশকি থাকলে কেমিক্যাল জাতীয় কোনো প্রসাধনী ব্যবহার করবেন না। এটি দাড়ির ক্ষতির পাশাপাশি ত্বকেরও ক্ষতি করতে পারে।
- মাথার চুল আঁচড়ানোর পাশাপাশি দাড়িও একইভাবে সেট করুন। প্রতিদিন চিরুনি দিয়ে দাড়ি সেট করলে দাড়ি শুধু স্বাস্থ্যকর হবে না, এর পাশাপাশি অন্য কোনো সমস্যাও থাকবে না।
- দাড়ির খুশকি দূর করতে নিয়মিত শুকনো এক্সফোলিয়েশন ব্যায়াম করা বা মুখে মাসাজ করা উচিত। আর শীতকালে দাড়িতে খুশকির সমস্যা বেশি হলে ছেঁটে নেওয়াই ভালো। শীতে সাধারণ দাড়ির চেয়ে একটু ছোট রাখার চেষ্টা করুন।
