দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গাইনি ও অ্যানেসথেসিওলজিস্টের অভাবে অপারেশন বন্ধ রয়েছে। এক্স-রে মেশিন থাকলেও নেই টেকনিশিয়ান। ফলে রোগীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সরেজমিনে জানা গেছে, দুইটি অ্যাম্বুলেন্স আছে, একটিরও চালক নেই। এখন ডেন্টাল সার্জন আছে, তবে যন্ত্রপাতির সমস্যা রয়েছে। এক্স-রে মেশিন থাকলেও পাঁচ বছর ধরে টেকনিশিয়ান নেই। ফলে এ মেশিনটিও এখন নষ্টের পথে। দেবীগঞ্জ হাসপাতালে সাত জন চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় নার্স থাকলেও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর নেই কোনো ডাক্তার। শিশু, গাইনি, সার্জন, কনসালট্যান্ট এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেই দীর্ঘ সময় ধরে। হাসপাতালে হয় না কোনো অপারেশন।
দেবীগঞ্জ উপজেলার সবুজপাড়া গ্রামের সেলিম কবির গত সপ্তাহে তার নবজাতক শিশুকে নিয়ে চিকিৎসক না পেয়ে ঠাকুরগাঁও সদরে গিয়ে চিকিৎসা নেন। উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক চিশতী জানান, দেবীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সমস্যাগুলো জেলা আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে উত্থাপন করা হয়েছে।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. সপূর্ণ কুমার সাহা বলেন, দেবীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিনা মূল্যে প্রসূতি মায়েদের সিজারিয়ান অপারেশন করানো হতো ডিমান্ড সার্ভিস ফান্ডের (ডিএসএফ) মাধ্যমে। সিজারে আমি সহযোগী হিসেবে থাকতাম। সিজারিয়ান অপারেশনের ডাক্তার না থাকায় ওটি বন্ধ রয়েছে গত সাত মাস ধরে।
দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাছিনুর রহমান জানান, সাত মাস ধরে দেবীগঞ্জ হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশন বন্ধ রয়েছে। সিজারিয়ান অপারেশন করতেন গাইনি ডাক্তার ফারজানা। তাকে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে। এছাড়া সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য ওটিসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম থাকলেও নেই অ্যানেসথেসিওলজিস্ট।
