পাবনার সুজানগরে করোনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও থেমে নেই প্রাইভেটসহ কোচিং বাণিজ্য। তাছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকলেও শিক্ষার্থীরা ছুটছে প্রাইভেট শিক্ষক ও এসব প্রতিষ্ঠানে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পৌরসভাসহ উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে ৩৯টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও আটটি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বেশির ভাগ শিক্ষার্থী জানুয়ারি মাস থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত প্রাইভেট পড়ে থাকে। এর মধ্যে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ফাইনাল পরীক্ষার আগ পর্যন্ত মোট ১৪ মাস প্রাইভেট পড়তে হয়।
নামে প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবক অভিযোগ করেন, অধিকাংশ শিক্ষক তাদের নিজ নিজ বিদ্যালয়ের আশপাশে বাসা ভাড়া নিয়ে আবার কেউবা বাড়িতে শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ানোর সুব্যবস্থা করে রেখেছেন। সকালে এবং বিকালে শ্রেণিকক্ষের ন্যায় প্রতি ব্যাচে ৩০-৪০ জন করে শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়ান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জন প্রধান শিক্ষক বলেন, এসব শিক্ষকদের প্রাইভেট বাণিজ্যের কারণে বিদ্যালয়ে যথাযথ পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রাইভেট এবং কোচিং বাণিজ্যের এ চিত্র দেশব্যাপী। এ বাণিজ্য বন্ধে প্রয়োজন সরকারের হস্তক্ষেপ।
