কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) সংবাদদাতা
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীর কার্যালয়টি দীর্ঘ একযুগ থেকে তালাবদ্ধ বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কিশোরগঞ্জের বড়ভিটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফজলার রহমান বলেন, কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিসটি বন্ধ থাকার কারণে আমার ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া নামক স্থানে ২০১৫ সালে প্রধান সেচ ক্যানেলটি ভেঙে গিয়ে ২০০ জন কৃষকের ৭০ একর জমির উঠতি ফসল তলিয়ে যায়। এছাড়াও ২০১৮ সালে পুটিমারী কাচারীপাড়ায় এস সেভেনটি ক্যানেল ভেঙে গিয়ে ৭০ জন কৃষকের ৩০ লাখ টাকার ফসলের ক্ষতি হয় এবং চলতি বছরের গত ১৪ মার্চ এস সেভেনটি ক্যানেলের নিতাই ইউনিয়নের মুশরুত পানিয়াল পুকুর গ্রামে পানির চাপে ক্যানেল ভেঙে ২০ ফুট বিধ্বস্ত হয়ে কৃষকের ২০ লাখ টাকার ফসলের ক্ষতি হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ- কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমানের মদদে প্রভাবশালীরা ক্যানেলের বাঁধে (পাড়ে) ঘর নির্মাণ করেছে।
তবে সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান (কিশোরগঞ্জে দায়িত্বপ্রাপ্ত) বলেন, এস সেভেনটি ক্যানেলটি প্রতিবারের মতো এবারো সংস্কার করা হয়েছে। রাতের আঁধারে কে বা কারা ক্যানেলের পাড় ছিদ্র করে পানি নেওয়ার সময় বাঁধটি ভেঙে যায়। ক্যানেলের পাড়ে ঘর নির্মাণ করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে থানায় মামলা করা হয়েছে।
সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী কৃষ্ণ কমল সরকার বলেন, লোকবল না থাকায় কিশোরগঞ্জের পাউবোর অফিসটি বন্ধ রয়েছে। আমার অফিসে লোকবল কম থাকায় তারা এখানে কাজ করে এবং মাঝে মধ্যে কিশোরগঞ্জে গিয়ে মাঠ পর্যায়ে অফিস করে। ক্যানেলের জায়গায় ঘর নির্মাণ বিষয়ে তিনি বলেন, সরেজমিন পরিদর্শন করে সরকারি কর্মকর্তাসহ কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
