সর্বদা স্টাইলিশ ভাব রাখতেন, স্বর্ণের গয়নায় ঢেকে রাখতেন গলা, আঙুল, সারাক্ষণ চোখে রাখতেন মূল্যবান সানগ্লাস। সেই বাপ্পী লাহিড়ী চলে গেছেন না ফেরার দেশে। মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে মারা যান তিনি। বৃহস্পতিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে সম্পন্ন হয়েছে বাপ্পী লাহিড়ীর শেষকৃত্য। মৃত্যুর পর নতুন তথ্য দিয়েছেন সংগীতশিল্পীর চিকিৎসক দীপক নমযোশি।
পিটিআই সূত্রের খবর, অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ায় (ওএসএ) মারা যান বাপ্পি লাহিড়ী। মৃত্যুর আগে এক মাস ধরে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এই গুণী শিল্পী। তার কিছু শারীরিক জটিলতা কারণে হাসপাতালে চিকিৎসা চলছিল।
বাপ্পী লাহিড়ীর মৃত্যুর পর চিকিৎসক দীপক নমযোশি জানান, বাপ্পি লাহিড়ীকে যখন হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় তখন তার অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক ছিল। তবে করোনা পরবর্তী জটিলতায় তার মৃত্যু হয়নি। অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। স্লিপ অ্যাপনিয়ার জন্য হঠাৎ করেই কোনো একটি অঙ্গের ওপর বিপদ ঘনিয়ে আসতে পারে। ফলে শরীরে কার্বনডাই অক্সাইডের মাত্রা বেড়ে গিয়ে রক্তের দানা পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে।
তিনি আরও জানান, লিভার ও কিডনির উল্লেখযোগ্য কোনো সমস্যা ছিল না বাপ্পি লাহিড়ীর। অতিরিক্ত ওজনের জন্য তার ফুসফুসে সমস্যা হয়েছিল। বাইপাস মেশিনে ব্যভারের জন্য তার গলার স্বরে পরিবর্তন এসেছিল। দীর্ঘদিন মেশিনের সহায়তা থাকার ফলে গলায় এক ধরনের শুষ্কতার সৃষ্টি হয়। এতে স্বরযন্ত্রের ক্ষতি হয়।
হাসপাতালে দিনগুলোর কথা স্মরণ করে চিকিৎসক বলেন, হাসপাতালে বাপ্পি আমাকে গান শোনাতেন। সুস্থ হয়ে উঠলে ‘মুম্বাই সে আয়া মেরে দোস্ত’ শোনাবেন বলেছিলেন। কিন্তু তার আগেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

আবারও জুটি বাঁধলেন আসিফ-সুমন