লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে আমেনা বেগম (৬০) নামে এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার পর লাশ আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে তার ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় লেছে মিলনকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আশারকোটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নোয়াগাও ইউনিয়নের আশারকোটা গ্রামের ওহেদ আলী ব্যাপারী বাড়ির মৃত আকবর হোসেনের ছেলে মানুষিক রোগী মিলন তার মা ফাতেমা বেগমকে কুপিয়ে হত্যার পর আগুনে পুড়িয়ে দেয়। মৃত ফাতেমার তিন ছেলে রয়েছে। ঘাতক মিলন সবার ছোট। বড় ছেলে সৌদি প্রবাসী, মেঝো ছেলে ঢাকায় চাকরি করে।
নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড আশারকোটার ইউপি সদস্য মো. নুরুল আমিন জানান, মিলন দীর্ঘদিন থেকে মানসিকভাবে অসুস্থ। বাড়িতে সে এবং তার মা একাই বসবাস করতো। বুধবার সন্ধ্যায় মিলন এবং তার মা ফাতেমা নানার বাড়ি থেকে একসঙ্গে আসে। খাওয়া দাওয়া শেষ করে রাতে তারা ঘরে ঘুমিয়ে পড়ে। পরে রাতের কোন এক সময় মিলন তার মাকে হত্যা করে মৃতদেহে কম্বল পেঁচিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়। ফজরের নামাজের সময় বাড়ির অন্য লোকজন ঘুম থেকে উঠে ওই ঘর থেকে ধোয়া এবং গন্ধ পেয়ে পুলিশ খবর দেয়। পুলিশসহ স্থানীয়রা গিয়ে ফাতেমার মৃতদেহে আগুন জ্বলতে দেখতে পায়। এ সময় পাশেই ঘাতক ছেলে মিলন বসা ছিল। পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে মিলনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
রামগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ এমদাদ হোসেন জানান, এ ঘটনায় মিলনকে আটক করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
