এসকে সিনহা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন :ড. কামাল

আপডেট : ২৬ এপ্রিল ২০১৯, ২২:২৯

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণার রায় দেওয়ায় সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ  কুমার সিনহার (এসকে সিনহা) প্রশংসা করে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। মৌলিক অধিকার রক্ষা করার ব্যাপারে তিনি ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছেন। গতকাল শুক্রবার ঢাকা মহানগর নাট্যমঞ্চে গণফোরামের বিশেষ কাউন্সিল অধিবেশনে উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আট বছর পর গণফোরামের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হলো।

ড. কামাল বলেন, আমরা বলছি যে, স্বৈরশাসনের চিত্র দেখা যাচ্ছে। কিন্তু নিরাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। আমরা দেখেছি, শাসকগোষ্ঠী অনেক সময় স্বৈরতন্ত্রের দিকে অগ্রসর হয়, স্বৈরাচার হয়ে যায়। কিন্তু এ দেশে মানুষ কখনো স্বৈরতন্ত্রকে মেনে নেয়নি এবং নেবে না। দেশের মালিক আপনারা। ক্ষমতার উত্স জনগণ। সুতরাং আপনাদের দেখতে হবে, যারা ক্ষমতায় আছে তারা কি দেশের স্বার্থে নাকি নিজের স্বার্থে কাজ করছেন। উল্টোপাল্টা কিছু করলে সংগঠিত হয়ে তাদেরকে প্রতিহত করতে হবে। নাগরিকরা যদি দায়িত্ব পালন না করে, তাহলে গণতন্ত্র স্বৈরতন্ত্রে পরিণত হতে পারে।

কাউন্সিলে মোকাব্বির, ক্ষোভ নেতাদের

এদিকে, দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়া মোকাব্বির খান গণফোরামের  কাউন্সিলের মঞ্চে থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন দলের নেতা-কর্মীদের একাংশ। ক্ষোভে দল ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে গণফোরামের প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পথিক বলেছেন, মোকাব্বির খান ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে গেলে বলেন গেট আউট, আর বাসায় গেলে বলেন সংসদে যাও। এ ধরনের দ্বৈতনীতির দলে আমি থাকব না। অনুষ্ঠানে ড. কামাল যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন তখন মঞ্চেই ছিলেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোকাব্বির। এ দিকে, অধিবেশনে যাননি গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসীন মন্টু। পরে মন্টু জানান, দলের সভাপতি বলতে পারবেন মোকাব্বির কীভাবে সেখানে গেলেন। কাউন্সিলে তার উপস্থিতি জাতির সাথে প্রতারণার শামিল। তাই তিনি যাননি। কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে দলের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, মফিজুল ইসলাম খান কামাল, এস এম আলতাফ হোসেন, অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, ড. রেজা কিবরিয়া প্রমুখ অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন।