আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ নিয়ে ব্যস্ত ওয়ানডে ও টি-২০ দল। তাই বলে বসে নেই টেস্ট দলের নিয়মিত সদস্যরা। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরকে সামনে রেখে নিজেদের প্রস্ত্তত করে নিচ্ছেন তারাও। সেটা বাংলাদেশ টাইগার্স ক্যাম্পের মাধ্যমে। শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) থেকে বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে এই ক্যাম্প।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কোনো খেলোয়াড় জাতীয় দল থেকে বাদ পড়লে ফেরার জন্য একাই পরিশ্রম করতে হয়। স্কিল ঠিক করার ব্যাপারে বিসিবি থেকে খুব একটা সুবিধা পান না তারা। তবে বাংলাদেশ টাইগার্সের মাধ্যমে এই করুণ চিত্রের পরিবর্তন আনতে চায় বিসিবি। টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক, সাদমান ইসলাম, নাইম হাসানসহ ২৩ ক্রিকেটারকে নিয়ে বানানো হয়েছে বাংলাদেশ টাইগার্স স্কোয়াড।
প্রথম দিন ক্যাম্প নিয়ে সাদমান বলেন, তাদের নজর দক্ষিণ আফ্রিকা সফরেই। সামনে লম্বা একটা (দক্ষিণ আফ্রিকা) সিরিজ আছে এবং এখনো একটা চলছে। আমার মনে হয়, যদি প্লেয়ারদের তৈরি রাখা যায় বা সবাই যেন প্র্যাকটিসে থাকে এর জন্য এই ক্যাম্পটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ আমাদের জন্য। ক্যাম্পে তো যার যেটা স্কিল সেটা নিয়ে কাজ করবে। আশা করি, সবাই যদি সবার স্কিল নিয়ে কাজ করে তো সবকিছুতে উন্নতি হবে। সামনে প্রিমিয়ার লিগ আছে, সবার জন্য ভালো হবে ক্যাম্পটা।
দক্ষিণ আফ্রিকায় পেসবান্ধব উইকেটের কথা বিবেচনা করে বগুড়ায় এই ক্যাম্প। কেননা এখানকার উইকেটে বরাবরই বাড়তি বাউন্স পান পেসাররা। উইকেট নিয়ে সাদমান বলেন, ‘উইকেট ওরকমভাবেই বানানো হচ্ছে। যাতে আমরা সেভাবেই ব্যাটিং করতে পারি। ধারাবাহিকভাবে যদি ভালোভাবে প্র্যাকটিস করা যায় তাহলে আশা করি সবাই দক্ষিণ আফ্রিকায় বেশ ভালো সুবিধা পাবে।’
নিয়মিত ঘরোয়া ক্রিকেট হলেও লম্বা সময় ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট হয় না বগুড়ায়। সবশেষ ম্যাচ হয়েছিল ২০০৬ সালের শেষ দিকে। এখানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট না হওয়ার পেছনে বিসিবি সিইও নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন বলেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট করতে হলে কিছু ব্যাপার আছে। আইসিসির একটা নিয়ম আছে। তাদের কিছু মৌলিক শর্ত আছে। বিশেষ করে নিরাপত্তা, লজিস্টিক সুবিধা, হোটেল এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা। এই দিকগুলো বিবেচনায় আন্তর্জাতিক ম্যাচ হতে আরো সময় লাগবে। তবে এখানে ঘরোয়া ক্রিকেট তো চলছে।’
