সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে বল সুন্দরী বড়ই চাষে প্রথম বছরেই সফলতা পেয়েছেন উপজেলার ঝাঐল ইউনিয়নের কাশিয়াহাটা গ্রামের হামিদুল ইসলাম নামের এক কৃষক। এবছর বড়ই বিক্রি করে খরচের প্রায় সাতগুণ লাভ করতে পারবেন বলে আশা করছেন তিনি।
জানা যায়, প্রায় বছর খানেক আগে নাটোরের বনপাড়া থেকে ২৯০টি বল সুন্দরী বড়ইয়ের চারা কিনে তার ৫৬ শতাংশ জমিতে রোপণ করেন হামিদুল। রোপণের ৮ মাসের মধ্যেই শুরু হয় উৎপাদন। দেড় মাস ধরে বড়ই বিক্রি করছেন তিনি।
কৃষক হামিদুল ইসলাম জানান, বল সুন্দরী বড়ইয়ের বাগান করতে আমার সব মিলিয়ে খরচ হয়েছে ৬০ হাজার টাকা। দেড় মাসে ১০০ মণ বড়ই প্রায় দুই লক্ষ টাকা বিক্রি করেছি। আমার বাগানে এখনও কমপক্ষে ১০০ মণ বড়ই আছে যা বর্তমান বাজারদর হিসেবে আরও দুই লক্ষাধিক টাকা বিক্রি করতে পারবো। প্রতি মণ বড়ই ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করেছি তবে বর্তমানে বড়ইয়ের বাজারদর কিছুটা কম। অন্যান্য ফসল আবাদের চেয়ে বড়ই চাষে বহুগুণ লাভ হওয়ায় উপজেলা কৃষি অফিসের সঠিক পরামর্শে প্রথম বছরের মত বড়ই চাষ করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছি। এবছর বড়ই বিক্রি করে খরচের প্রায় সাতগুণ লাভ করতে পারবো।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার সাদাত জানান, হামিদুলের বাগানের বড়ইয়ে ফুল আসার পরপরই ফুল ঝড়ে যাচ্ছিলো। পরে কৃষি অফিসের পরামর্শ নিয়ে বড়ইয়ের চাষ করায় খুব অল্প সময়ে সফলতা পেয়েছেন কৃষক হামিদুল। বেকার যুবকেরা নিজের জমি অথবা জমি লিজ নিয়ে উন্নত জাতের বিভিন্ন বড়ই চাষ করে বেকারত্ব দুর করতে পারে।
