এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম—জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ১৯ মিনিটের যে ঐতিহাসিক ভাষণে ছিল স্বাধীনতার ঘোষণা, যে ভাষণে পালটে গিয়েছিল দেশের প্রেক্ষাপট, দেশমাতৃকাকে মুক্ত করতে বাঙালি অস্ত্র হাতে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, সেই ভাষণের দৃশ্যপটের আদলে নির্মিত হয়েছে তার একটি ভাস্কর্য।
ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের পাশে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার কলতাপাড়া এলাকায় এই ভাস্কর্যটির অবস্থান। ৫৩ ফুট উঁচু এই ভাস্কর্যটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিউদ্যোগে স্থাপন করেছেন প্রয়াত জাতীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ ডা. ক্যাপ্টেন (অব.) মজিবুর রহমান ফকির।
দৃষ্টিনন্দন ও দেশের সর্বোচ্চ এই ভাস্কর্যটি নির্মাণ শিল্পী এম এ মাসুদ। তিনি বলেন, মাটি থেকে প্রায় ৬ তলা ভবনের সমান ৫৩ ফুট উঁচু বঙ্গবন্ধুর এ ভাস্কর্যটি নির্মিত হয়েছে সাদা সিমেন্ট ও সাদা মোজাইক পাথর দিয়ে। এর গোড়ার প্রস্থ ১৫ ফুট। বেদির উচ্চতা ১৩ ফুট। বাকি উচ্চতা মূল ভাস্কর্যের। এখনো পর্যন্ত এটি দেশের সবচে উঁচু ভাস্কর্য। ৭ই মার্চের রেসকোর্স ময়দানের ঐতিহাসিক ভাষণের দৃশ্যে জাতির পিতাকে দেখানো হয়েছে। এতে প্রায় ৭০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। ৭ মাসে তিনি ভাস্কর্যটির নির্মাণকাজ শেষ করেছেন। এখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পারিবারিক ফটো গ্যালারিও করা হয়েছে। এ ভাস্কর্যটি দেখতে দূরদূরান্ত থেকে মানুষ আসছে।
গৌরীপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মো. আবদুর রহিম বলেন, ভাস্কর্যটি নতুন প্রজন্মের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে। ভাস্কর্যটি যথাযথ সংরক্ষণ প্রয়োজন।
