বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
মিরাজুল ইসলাম
প্রভাষক
ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ, ঢাকা
জনসংখ্যা
১। অধিক খাদ্য উত্পাদনের মাধ্যমে আমাদের দেশের জনগণ কীভাবে উপকৃত হতে পারে?
উত্তর : খাদ্য আমাদের মৌলিক চাহিদা। আগে প্রতিবছর প্রায় ২৫ লক্ষ টন খাদ্য আমদানি করতে হতো। বর্তমানে আমরা সকলের জন্য খাদ্য উত্পাদন করতে সক্ষম। অধিক খাদ্য উত্পাদন করলে দেশের চাহিদা মিটাতে খাদ্য আমদানি করতে হবে না। এতে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে এবং দেশ উন্নয়নের দিকে ধাবিত হবে।
এছাড়া অধিক খাদ্য উত্পাদনের মাধ্যমে আমাদের চাহিদার অতিরিক্ত অংশ বিদেশে রপ্তানি করতে পারি। এতে করে আমরা প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারব। যার ফল দেশের জনগণই ভোগ করবে।
২। শ্রমশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে আমরা কীভাবে উপকৃত হতে পারি?
উত্তর : উন্নত শিক্ষাব্যবস্থা এবং বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শ্রমিককে দক্ষ শ্রমশক্তিতে রূপান্তরিত করা যায়। শ্রমশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে আমরা প্রচুর পরিমাণে রেমিটেন্স পেতে পারি। তাদের প্রেরিত অর্থ দিয়ে দেশে বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা সম্ভব। এর ফলে একদিকে যেমন দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
৩। কারিগরি প্রশিক্ষণ বৃদ্ধির মাধ্যমে আমরা কীভাবে উপকৃত হতে পারি?
উত্তর : কারিগরি প্রশিক্ষণ বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশে বেকারত্বের সংখ্যা হ্রাস পাবে। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শিল্প প্রতিষ্ঠান কিংবা কুটির শিল্প প্রতিষ্ঠান তৈরির পরিবেশ তৈরি হবে। ফলে স্বাভাবিক কারণেই মানুষের জীবনমানে পরিবর্তন ঘটবে। জনগণের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পাবে। একসময় দেশের অর্থনৈতিক অবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটবে।
৪. খাদ্যের উপর জনসংখ্যা বৃদ্ধির পাঁচটি প্রভাব লেখ।
উত্তর : খাদ্যের উপর জনসংখ্যা বৃদ্ধির পাঁচটি প্রভাব নিম্নরূপ—
১.খাদ্য সংকট বা ঘাটতি দেখা দেয়।
২.বিদেশ থেকে খাদ্য আমদানি করতে হয়।
৩.কৃষি জমিতে বসতি স্থাপনের ফলে খাদ্য উত্পাদন হ্রাস পায়।
৪.খাদ্যের অভাবে দরিদ্র জনগোষ্ঠী পুষ্টিহীনতায় ভোগে।
৫.খাদ্য ঘাটতির কারণে দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়।
