'ব্রাজিলের প্রতিটি পুরুষ, মহিলা এমনকি শিশুও মনে করে কোচের চেয়ে জাতীয় দলের কোচিংটা ভালো করাতে পারবে তারা'- অমর হয়ে আছে ব্রাজিলের সাবেক এক কোচের বলা কথাটা। ব্যতিক্রম নন মানো মেনেজেসও। খোদ ব্রাজিলেই খেলা অনেক ম্যাচে দুয়ো শুনতে হয়েছে তাঁকে। রোমারিও তো পারলে শুরু করতেন 'মেনেজেস তাড়াও' আন্দোলন। সেটা অবশ্য করতে হলো না ১৯৯৪ বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়কে, তাঁর হয়ে কাজটি যে করে দিয়েছেন ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের প্রধান হোসে মারিয়া মারিন! ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সভা ডেকে শুক্রবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটাই নিয়ে ফেলেছেন তিনি- বরখাস্ত করা হয়েছে মেনেজেসকে।
২০১০ সালের জুলাইয়ের এক শুক্রবারে কার্লোস দুঙ্গার জায়গায় আনা হয়েছিল মেনেজেসকে। বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর আরেকটি বিশ্বকাপ স্বপ্ন আবর্তিত হচ্ছিল তাঁকে ঘিরে। স্বপ্নটা ভাঙল দুই বছর চার মাস পরের আরেক শুক্রবারে। খবরটা নিশ্চিত করেছেন মেনেজেসের বন্ধু, জাতীয় দলের পরিচালক আন্দ্রেস সানচেজ, 'খারাপ ফলের জন্য বরখাস্ত হননি মেনেজেস। তেমন কিছু হলে গত বছরই চাকরিটা হারাত ও। আসলে পরিবর্তনটা চেয়েছেন বোর্ড প্রেসিডেন্ট। দল যেভাবে চলছে প্রেসিডেন্ট তাতে পরিবর্তন চান বলেই সরানো হয়েছে মেনেজসকে। এ সময়ে এসে কোচ বদলের বিপক্ষেই ছিলাম আমি, কিন্তু সভায় অগ্রাহ্য করা হয় আমার যুক্তিটা।'
মেনেজেস অবশ্য শুভকামনাই জানিয়েছেন ব্রাজিলকে, 'শুভকামনা রইল ব্রাজিল দলের জন্য। আশা করছি খেলোয়াড়রা সমর্থকদের চাওয়া পূরণ করে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ এনে দেবে ব্রাজিলকে।'
এমনিতে খুব একটা খারাপ করেননি মেনেজেস। তাঁর আমলে খেলা ৪০ ম্যাচের ২৭টি জিতেছে ব্রাজিল, ড্র ৬ আর হার ৭ ম্যাচে। এর মধ্যে গত ৮ ম্যাচে জয় ছিল ৬টা। ওয়েবসাইট
