বিক্ষোভে উত্তাল আশুলিয়া

আপডেট : ২৯ নভেম্বর ২০১২, ১৬:৪৭
বিক্ষুব্ধ পোশাক শ্রমিকদের হামলা, ভাংচুর, অবরোধ আর অগি্নসংযোগের ঘটনায় গতকাল আশুলিয়া শিল্পাঞ্চল এলাকা ছিল উত্তাল। তাজরীন ফ্যাশনে অগি্নকাণ্ডে হতাহতের ঘটনায় মালিকের ফাঁসির দাবিতে মিছিল বের করে শ্রমিকরা। পুলিশ বাধা দিতে গেলে শুরু হয় সংঘর্ষ। দফায় দফায় পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষ চলে। এ সময় শ্রমিকরা নির্বিচারে ভাংচুর করে বেশ কয়েকটি যানবাহন। অগি্নসংযোগ করা হয় দু'টি মোটর সাইকেলে। সংঘর্ষে অর্ধশত শ্রমিক আহত হয়েছেন। এছাড়া আন্দোলনে যোগ দিতে শ্রমিকদের ছুটি না দেয়ায় বেশ কয়েকটি গার্মেন্টসেও ভাংচুর চালায় শ্রমিকরা। ফলে গতকাল আশুলিয়া এলাকায় অঘোষিত ছুটি ছিল গার্মেন্টসগুলোতে। যদিও গার্মেন্টস মালিক ও পুলিশ দাবি করেছে, শ্রমিকরা নয়, বহিরাগত সন্ত্রাসীরা গার্মেন্টসগুলোতে হামলা চালিয়েছে। সংঘর্ষের কারণে গতকাল সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত ঢাকা-টাঙ্গাইল সড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল। গতকাল আশুলিয়া এলাকা ঘুরে প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সকাল থেকেই পরিস্থিতি শান্ত ছিল। হঠাৎ করেই সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নরসিংহপুরে হামিম গ্রুপের ফ্যাক্টরিতে বিদ্যুৎ চলে যায়। জেনারেটরও চালু হচ্ছিল না। জেনারেটর থেকে স্পার্ক করছিল। এতেই শ্রমিকদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে আগুন লেগেছে বলে দৌড়াদৌড়ি করে নামতে শুরু করে। এ পরিস্থিতিতে কর্তৃপক্ষ গার্মেন্টসে ছুটি ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে এ গার্মেন্টসের উল্টো দিকে কল্লোল গার্মেন্টসেও শ্রমিকদের ছুটি দেয়া হয়। এ দুই গার্মেন্টসের শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে তাজরীন ফ্যাশনের মালিকের বিরুদ্ধে শ্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন। এ সময় আশপাশের সব গার্মেন্টসে শ্রমিকদের ছুটি দিয়ে দেয়া হয়। কয়েক হাজার শ্রমিক তখন রাস্তায় বিক্ষোভ করতে থাকেন। শ্রমিকরা আবদুল্লাপুর-বাইপাইল সড়কের জামগড়া ও জিরাবো এলাকাসহ বিভিন্ন অলিগলিতে খণ্ড খণ্ড বিক্ষোভ মিছিল করেন। যে সব গার্মেন্টসে তখনো ছুটি দেয়া হয়নি সে সব গার্মেন্টসে খোঁজ করে শ্রমিকদের বাইরে আনার চেষ্টা করেন অন্য শ্রমিকরা। বেলা পৌনে ১০টার দিকে ঘোষবাগ এলাকায় হামিমের ট্রাউজার লাইন লিমিটেড নামে একটি কারখানায় তখনো শ্রমিকরা কাজ করছিলেন। খবর পেয়ে অন্য শ্রমিকরা তাদের বের করে আনার চেষ্টা করেন। এতে কর্তৃপক্ষ রাজি না হওয়ায় বাইরের গেটে শ্রমিকরা ভাংচুর শুরু করেন। পুলিশ তাদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করলে শ্রমিকরা আরো উত্তেজিত হয়ে বাইরে থেকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। এক পর্যায়ে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বেধে যায়। এ সময় সড়কে চলাচল করা ২০/২৫টি যানবাহন নির্বিচারে ভাংচুর করে শ্রমিকরা। এ সময় আশপাশের কয়েকটি দোকানঘরেও ভাংচুর করে শ্রমিকরা। পুলিশ তখন ওই সড়ক দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষ শুরু হলে পুলিশ টিয়ারসেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। শ্রমিকরাও পাল্টা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে পুলিশ সদস্যদের পিছু হটতে বাধ্য করে। পরে আরো বিপুলসংখ্যক পুলিশ সেখানে যোগ দিয়ে শ্রমিকদের উপর লাঠিপেটা ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে। এমন পরিস্থিতিতে কর্তৃপক্ষ গার্মেন্টসে ছুটি দিয়ে শ্রমিকদের বাইরে বের করে দেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শ্রমিকরা কাঠগড়া এলাকায় বিক্ষোভ শুরু করেন। তখনো আজমত গ্রুপের জেড থ্রি কম্পোজিট নিটওয়্যার লিমিটেডের ভেতরে শ্রমিকরা কাজ করছিলেন। কিন্তু শ্রমিকদের দাবিরমুখে কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের ছুটি দিতে আপত্তি জানালে বাইরে থেকে শ্রমিকরা গার্মেন্টসে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। এতে গার্মেন্টসের বেশ কয়েকটি গ্লাস ভেঙ্গে যায়। শ্রমিকরা গেট ভেঙ্গে ভেতরে থাকা ৪টি মোটর সাইকেল ভাংচুর করে। এরা দু'টি মোটর সাইকেল বাইরে বের করে এনে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পুলিশের সঙ্গে সেখানেও শ্রমিকদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে অর্ধশত শ্রমিক আহত হয়েছেন বলে শ্রমিকরা জানিয়েছেন। পরে শ্রমিকরা বেঙ্গল প্লাস্টিক কারখানার সামনে গিয়ে মূল ফটকে আগুন ধরিয়ে দেয়। কারখানায় হামলা চালায়। পোশাক শ্রমিকদের হামলা ও আগুন আতংকে বেঙ্গল প্লাস্টিকের শ্রমিকরা কারখানা থেকে বের হয়ে আসে। এ সময় শ্রমিকরা বাংলাভিশনের ক্যামেরাম্যান এনামুল হাবীব রুবেলকে মারধর করে। রুবেল জানায়, বিক্ষুব্ধরা তার ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়েছে। শ্রমিকদের বের না করে কাজ করানোর কারণে শ্রমিকরা জাপান-বাংলা, শারমিন, কন্টিনেন্টাল, লোসাকা গ্রুপের কারখানাসহ অন্তত ১৫টি গার্মেন্টসে ভাংচুর করেছে বলে সংশ্লিষ্ট গার্মেন্টস থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। আজমত গ্রুপের ব্যবস্থাপক (এইচআর) নজরুল ইসলাম বলেন, নিরাপত্তা প্রধান সাইফুদ্দিনসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা শ্রমিক নামধারী সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত হয়েছেন। তাদের কারখানার ভেতরে পার্ক করা ৪টি মোটর সাইকেল ভাংচুর করা হয়েছে। এর মধ্যে ২টি মোটর সাইকেল রাস্তার ওপর টেনে নিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় জিরাবো-বিশমাইল সড়কে কয়েকটি যানবাহনও ভাংচুর করেন শ্রমিকরা। প্রায় ঘণ্টাখানেক পরে পুলিশ এসে লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। নজরুল ইসলাম বলেন, বহিরাগত কিছু লোকজন কারখানায় হামলা চালিয়ে ভাংচুর করেছে। এ সময় বহিরাগতরা কারখানার কাপড়ের গুদামে আগুন দেয়ার চেষ্টা চালায়। এতে বাধা দিতে গেলে তাকেসহ অন্তত ৭ জনকে মারপিট করে বহিরাগতরা। নজরুল ইসলামের দাবি, এরা শ্রমিক নয়, বহিরাগত সন্ত্রাসী। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শ্রমিকদের মিছিল থেকে ক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা গত শনিবার তাজরীন ফ্যাশনসে অগি্নকাণ্ডে শতাধিক শ্রমিক নিহত হওয়ার ঘটনার জন্য কারখানার মালিকের ফাঁসি দাবি করেন। বিভিন্ন কারখানায় বারবার অগি্নকাণ্ডের কারণ বের করার পাশাপাশি পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থারও দাবি জানান শ্রমিকরা। ক্ষুব্ধ শ্রমিকদের দাবি, তাজরীনে অগি্নকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ৬০০ শ্রমিক মারা গেছেন। অথচ সরকার বলছে, এই ভয়াবহ অগি্নকাণ্ডে ১১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনো অনেক কর্মী নিখোঁজ আছেন দাবি করে শ্রমিকেরা তাদের লাশ ফেরত দেয়ার দাবি জানান। অর্থের অভাবে আহতদের ঠিকমত চিকিৎসা হচ্ছে না বলেও দাবি করেন শ্রমিকরা। আশুলিয়া শিল্প পুলিশের পরিচালক আবদুর রউফ ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের বলেন, শ্রমিকরা অবরোধ করে রাখায় সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল সড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল। তিনি বলেন, বুধবার সকালে সব গার্মেন্টসে কাজ শুরুর পর হামীম গ্রুপের একটি কারখানায় জেনারেটরের যান্ত্রিক ত্রুটি থেকে আগুন আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় শ্রমিকরা সবাই কারখানা থেকে বেরিয়ে যান। এরপর আগুন লাগার গুজবে আশেপাশের আরো কয়েকটি কারখানার শ্রমিকরা বেরিয়ে আসে এবং এক পর্যায়ে তারা ঢাকা-টাঙ্গাইল সড়কে অবস্থান নিয়ে নিরাপত্তার দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে। বিভিন্ন পোশাক কারখানা থেকে শ্রমিকরা বেরিয়ে এসে ওই বিক্ষোভে যোগ দিতে শুরু করলে পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় আশুলিয়ার সব পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়। কিছু শ্রমিক কাঠগড়ায় আজমত গ্রুপের কারখানায় হামলা চালানোর পর পুলিশ লাঠিপেটা করে তাদের সরিয়ে দেয়। বেলা ১টার দিকে সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ার পর যানবাহন পুনরায় চালু হয়। যদিও তখনও রাস্তায় পুলিশের টহল চলছিল। শ্রমিকরা তখনও অবস্থান করছিলো বিভিন্ন গলিতে। তারপর অবশ্য আর কোন অপ্রীতিকর অবস্থার সৃষ্টি হয়নি। তবে যে কোনো মুহূর্তে আবার পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা করছে পুলিশ। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আশুলিয়া এলাকার সব কারখানা সারাদিন বন্ধ ছিল। রাস্তায় পুলিশ, র‌্যাব ও আর্মড পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে। তবে কারখানার মালিকরা দাবি করেছেন, বহিরাগত কিছু লোকজন পরিকল্পিত ভাবে পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করছে। কিন্তু পুলিশের হস্তক্ষেপে বড় কোনো ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। তাজরীন ফ্যাশনস ভবন ঝুঁকিপূর্ণ নিশ্চিন্তপুরের তাজরীন ফ্যাশনস ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি ওই ভবনে জনসাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। গতকাল সকালে ঢাকা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ভবনের প্রধান ফটকে ব্যানার ঝুলানো হয়। এতে লেখা হয়েছে_ ভবনটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ, ভেতরে প্রবেশ না করতে অনুরোধ করা হলো। এ বিষয়ে শিল্প পুলিশের উপ-পরিচালক মোক্তার হোসেন বলেন, ভবনের যেকোন তালায় উঠলে ওই ফ্লোরটি কেঁপে ওঠে। নতুন করে যেকোন ধরনের দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে সে জন্যই এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। নাশকতা খুঁজছে তদন্ত কমিটি তাজরীন ফ্যাশনসে অগি্নকাণ্ডের ঘটনা নাশকতা হিসেবেই মনে করছে সরকারের গঠিত উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি। কমিটির প্রধান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাইনুদ্দীন খন্দকার ইত্তেফাককে বলেন, জামায়াত-শিবির চক্র যখন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে তখন একটি গার্মেন্টসে আগুন লেগে এত মানুষের মৃত্যু স্বাভাবিক কোন ঘটনা হতে পারে না। নাশকতার কোন আলামত পেয়েছেন কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখনও পাওয়া যায়নি। তবে নাশকতার খোঁজ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, সবার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করছে তদন্ত কমিটি। তাজরীনের মালিককে গ্রেফতারের দাবি এরশাদের : সাভারের নিশ্চিন্তপুরে অগি্নকাণ্ডের শিকার তাজরীন ফ্যাশনসের মালিকপক্ষকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা উচিত বলে মনে করেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ। গতকাল এই কারখানা পরিদর্শন করে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। এরশাদ বলেন, সরকার ইচ্ছা করলে মালিকপক্ষকে হাজির করতে পারত। মালিকপক্ষও প্রেস কনফারেন্স করে বলতে পারত কেন কীভাবে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুপুর ২টার পর কারখানায় ঢুকে ২০ মিনিটের মতো তিনি সেখানে অবস্থান করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় নেতা এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা। চট্টগ্রাম ইপিজেডে শ্রমিক নিহত হওয়ার গুজবে ভাঙচুর চট্টগ্রাম অফিস :চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (সিইপিজেড) গেট এলাকায় গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় এক শ্রমিককে সিইপিজেডের নিরাপত্তা কর্মীরা মেরে ফেলার গুজবে প্রথমে ইপিজেড গেটের বাইরে নিরাপত্তা কর্মী ও শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। চট্টগ্রাম ইপিজেডের মহাব্যবস্থাপক এস এম আবদুর রশিদ বলেন, ইপিজেডের গেটে নিজস্ব নিরাপত্তাকর্মীদের সাথে কথা কাটাকাটি ও ভুল বুঝাবুঝির কারণে সংঘর্ষ বাধে। সন্ধ্যা ৭টায় ছুটির পর যখন শ্রমিকরা বেরিয়ে যাচ্ছিল তখনই এই ঘটনাটি ঘটে। চট্টগ্রাম মহানগরী পুলিশের উপ-কমিশনার (বন্দর) সাইফুল ইসলাম বলেন, সিইপিজেডের গেটে একদল বহিরাগত ও টোকাই ভাঙচুর চালায়। পুলিশ দ্রুত গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।