গত ২৬ নভেম্বর ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ৪১তম সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালিত হয়। ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল স্বাধীনতা সংগ্রামে আর্মি, নেভী ও বিমানবাহিনী যৌথভাবে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণ পরিচালনা করে। এ দিনটির স্মরণে বাংলাদেশ দূতাবাস বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আকরামুল কাদের এবং ডিফেন্স এ্যাটাচে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আবদুল মঈন আগত অতিথিদের উদ্দেশে স্বাগত বক্তব্য রাখেন।
রাষ্ট্রদূত আকরামুল কাদের তাঁর বক্তব্যে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যসহ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন তাঁদের সকলের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। সদ্য স্বাধীনতাপ্রাপ্ত বাংলাদেশে একটি আধুনিক সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলতে অবিস্মরণীয় অবদানের জন্য তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং কম্পিউটা-রাইজড জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অগ্রণী ভূমিকা পালনের মাধ্যমে বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বহুলাংশে উজ্জ্বল করেছে। ডিফেন্স এ্যাটাচি সশস্ত্র বাহিনী সৃষ্টির শুরু থেকে এ বাহিনীর ভূমিকা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেন।
মূল অনুষ্ঠানের পাশাপাশি জাতি গঠনে এবং বিশ্বব্যাপী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর উজ্জ্বল ভূমিকা সম্পর্কে একটি প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত, ডিফেন্স এ্যাটাচি, ডিপ্লোমেটিক কোরের সদস্য, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ও পেন্টাগনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, মিডিয়া প্রতিনিধি, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা/কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।-প্রেস বিজ্ঞপ্তি
