চৌমুহনী এলএসজি ডাকঘরের অধীন সেতুভাঙ্গা শাখার একজন পোস্টম্যানের ভুয়া ইএমটিএস-এর মাধ্যমে ১২ লক্ষ টাকা আত্মসাতের ঘটনা ফাঁস হলেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ধীরে চলো নীতি অনুসরণ করছে। এতে আত্মসাত্কৃত অর্থ আদায় নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। জানা যায়, বাংলাদেশ ডাক বিভাগ গ্রাহকদের দ্রুত সেবা প্রদানের জন্য মোবাইল ফোনের মাধ্যমে টাকা আদান-প্রদানের জন্য ইএমটিএস (ইলেকট্রিক মানি ট্রান্সফার সার্ভিস) চালু করে। চৌমুহনী এলএসজি ডাকঘরের অধীন বেগমগঞ্জ উপজেলার সেতুভাঙ্গা ব্রাঞ্চ পোস্ট অফিসের পোস্টম্যান আলী করিম ্এপ্রিল/১২ থেকে নভেম্বর/১২ পর্যন্ত তার ভাই ও আত্মীয়ের নামে ৬৩টি ইএমটিএস-এর মাধ্যমে ১১ লক্ষ ৭৬ হাজার ২১ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাত্ করে। নোয়াখালী ডাক বিভাগের পরিদর্শক বেল্লাল হোসেন সেতুভাঙ্গা ডাকঘর পরিদর্শনে গেলে ঘটনাটি ধরা পড়ে। এ ঘটনা জেলার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের গোচরে আনা হলে পোস্টাল সুপার আবদুল মালেক, পরিদর্শক বেল্লাল হোসেন ও পোস্ট অপারেটর আনোয়ার হোসেনকে নিয়ে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তবে এখন পর্যন্ত টাকা উদ্ধার বা অভিযুক্ত পোস্টম্যান আলী করীমের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। ডাক বিভাগের নোয়াখালী ডিপিএমজি’র অফিসে ফোনে যোগাযোগ করলে অফিস সুপার আকরাম জানান, টাকা উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। পরবর্তীতে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
