তাড়াইল উপজেলার রাউতি গ্রামের মোঃ কমর উদ্দিন ২০০৬ সালের ১৭ জুলাই তার মেয়ে দুই সন্তানের জননী সাফিয়া আক্তারকে (২৫) হত্যার অভিযোগে নেত্রকোনা ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি দীর্ঘদিন স্থবির থাকার পর অবশেষে বিচারক সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার পাইকুড়া গ্রামের মোঃ নজরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর মিয়া, বিল্লাল মিয়া, জয়নাল, হাবু মিয়া, কন্যারা বেগম, নন্দু মিয়া, বাবুল মিয়া, আবদুর রহমান ও জহিরুল ইসলামকে আসামি করে এ মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার বিবরণে জানা যায়, সাফিয়া আক্তারকে পাইকুড়া গ্রামের মৃত খোরশেদ ফকিরের পুত্র আবদুল হামিদের সাথে বিয়ে হওয়ার পর হামিদের বড় ভাই হত্যা মামলার আসামি হাবু মিয়া এবং বড় বোন কন্যারা বেগম সাফিয়াকে নির্যাতন করে আসছিল। ঘটনার দিন সাফিয়ার স্বামীর অনুপস্থিতিতে উল্লেখিত দুইজনসহ অন্য আসামিরা নির্যাতনের পর সাফিয়ার মুখে বিষ ঢেলে দেয়। পরে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিত্সক সাফিয়া আক্তারকে মৃত ঘোষণা করেন । মামলার বাদী কমর উদ্দিন গতকাল বুধবার তাড়াইল প্রেসক্লাবে এসে মামলার কাগজপত্র দেখিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি এদের বিচার চাই।
