নাসিক-এর দুই কাউন্সিলর গ্রুপের সংঘর্ষ, গুলিবর্ষণ

আপডেট : ২৯ নভেম্বর ২০১২, ২২:১৬
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার সিদ্ধিরগঞ্জে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে সিটি করপোরেশনের দুই কাউন্সিলর গ্রুপের মধ্যে বুধবার বিকেলে সংঘর্ষের ঘটনার পর রাতে টানা আড়াই ঘণ্টা ঢাকা-চট্রগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে একটি পক্ষ। এসময় তারা মহাসড়কের শিমরাইল মোড় এলাকাতে ট্রাক ও যানবাহন এলোপাতাড়িভাবে রেখে দেয়। তারা বিভিন্ন স্থানে টায়ার ও গাছের গুঁড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং কয়েকটি যানবাহন ভাঙচুর করে। এসময় তারা সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসির অপসারণ দাবি করে। রাত ১১টায় অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অবরোধকারীদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিকেলে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম ও ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নূর হোসেন গ্রুপের মধ্যে বুধবার সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় পুলিশ নজরুল ইসলাম সমর্থিত দু’জনকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। এরপর থেকেই নজরুল ইসলাম সমর্থিত শত শত মানুষ থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। রাত ৯টার দিকে পুলিশ সিদ্ধিরগঞ্জ যুবলীগের সভাপতি নজরুল ইসলামকে ছেড়ে দেয়। তবে তার ভাগ্নে ফারুককে থানায় আটকে রাখা হয়। রাত সোয়া ৯টার দিকে নূর হোসেনের লোকজন থানার দিকে আসতে চাইলে বাধা দেয় নজরুলের লোকজন। এনিয়ে নূর হোসেন ও নজরুল গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এরপর কাউন্সিলর নজরুলের সমর্থকরা নূর হোসেনের সমর্থক জিতুকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। এদিকে যুবলীগ নেতা নজরুলকে ছেড়ে দেয়ায় ও জিতুকে আটক করার প্রতিবাদে রাত সাড়ে ৯টায় নূর হোসেন সমর্থিত নেতা-কর্মীরা শিমরাইল মোড়ে গিয়ে সড়ক অবরোধ করে রাখে। এসময় তারা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাঁচপুর ব্রিজ থেকে শিমরাইল মোড় পর্যন্ত ৭টি স্থানে টায়ারে অগ্নিসংযোগ করে বিক্ষোভ করতে থাকে এবং ওসি কামরুল আলম মোল্লার অপসারণ দাবি করে। তারা কয়েকটি যানবাহন ভাঙচুর করে। এসময় দুটি মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় সেখানে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।