ঢাকা ক্লাবের সাবেক প্রেসিডেন্ট সাদাত হোসেন সেলিমের ক্লাব সদস্য পদ বাতিল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে করা দেওয়ানি মামলার রায় হবে আগামী মঙ্গলবার। গতকাল বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম আর হাসানের একক বেঞ্চে এ নিয়ে শুনানি শেষে ওই তারিখ ধার্য করা হয়।
ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস শুনানিতে বলেন, সাদাত সেলিম স্বেচ্ছায় ক্লাবের সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেননি। ষড়যন্ত্র করে তাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। আর এই পদত্যাগকে বহিষ্কার হিসেবে দেখানো হয়েছে। যাতে সেলিম আর কখনো ক্লাবে ফিরে আসতে না পারেন। এক্ষেত্রে ক্লাবের ব্যস্থাপনা কমিটি অসততার আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, সাদাত সেলিম ২০০৭ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে ক্লাবের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেছেন। ক্লাবের শত বছরের ইতিহাসে একমাত্র সাদাত সেলিমের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এটা একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। অন্য রকম এক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে তাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে।
অন্যদিকে ঢাকা ক্লাবের পক্ষে এডভোকেট আনিসুল হক বলেন, সেলিম ২২ জানুয়ারি স্বেচ্ছায় পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। পরের দিন তা অনুমোদন করে ঢাকা ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটি। যদি তাকে চাপ সৃষ্টি করে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়ে থাকে তাহলে কেন তিনি এতদিন পর হাইকোর্টের আশ্রয় নিলেন? কেন তিনি থানায় জিডি বা এজাহার দায়ের করেননি? তার বিরুদ্ধে যেসব অনিয়মের অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে তার হাত থেকে বাঁচতে তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাদাত হোসেন সেলিম ঢাকা ক্লাবের সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
