ঈশ্বরদী (পাবনা) সংবাদদাতা
চার বছর আগে চীন থেকে আমদানি করা ইউরিয়া সার দীর্ঘদিন ঈশ্বরদীর পাকশীতে নর্থ বেঙ্গল পেপার মিলস্ লিমিটেডের স্কুলের পাশে পরিত্যক্ত আবাসিক এলাকায় খোলা আকাশের নিচে পড়ে ছিল। এই সারের বেশিরভাগই জমাট বেঁধেছে। আর জমাট বাঁধা সার পেষাই যন্ত্রে গুঁড়া করে এখন ভরা হচ্ছে নতুন বস্তায়।
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন এর অধীনস্থ পে-অফ ঘোষিত দেশের সাদা কাগজ উত্পাদনকারী পাকশী নর্থ বেঙ্গল পেপার মিলস্ লিমিটেড এলাকা ঘুরে বিভিন্ন কর্মকর্তা ও শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এরই মধ্যে অনেক সার বিনষ্ট হয়ে গেছে, জমাটও বেঁধেছে। সেগুলো এখন পাওয়ার ক্রাশার যন্ত্রের মাধ্যমে গুঁড়া করে নতুন বস্তায় ভর্তি করা হচ্ছে। এই কাজে প্রায় কোটি টাকা ব্যয় হবে। বিসিআইসি এই ব্যয় বহন করবে বলে তারা জানান।
শ্রমিক সর্দার সাহাজউদ্দিন জানান, তারা দিন হাজিরায় কাজ করেন। সুকান্ত লিটন নামে এক ব্যক্তি তাদের ভাড়া করে এনেছেন।
সুকান্ত লিটন জানান, জামালপুরের সরিষাবাড়ীর তারাকান্দির যমুনা সার কারখানার ঠিকাদার কাজী আলমগীরের নির্দেশে সার ভেঙ্গে নতুন বস্তায় ভর্তি করা হচ্ছে। এর বেশি তিনি কিছুই জানেন না।
পাকশীর টিজি উপব্যবস্থাপক (বিক্রয়) ইকবাল আমিন রতন জানান, বস্তায় সারের পরিমাণ কম ছিল। এ কারণে বিসিআইসির কাছে অভিযোগ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ডাম্পিং করে রাখায় সারগুলো জমাট বেঁধেছে। চীন থেকে আমদানি করা সার মূলত শক্তই হয়। তাই বিসিআইসির নির্দেশে পাওয়ার ক্রাশারে ভেঙ্গে নতুন ব্যাগে ভরা হচ্ছে। সারগুলো বিনষ্ট হয়েছে কি-না জানতে চাইলে তিনি জানান, খোলা জায়গায় সার পড়ে থাকলে বিনষ্ট হওয়ার কারণেই তো কোটি কোটি টাকা খরচ করে গোডাউন নির্মাণ করা হয়।
