শিক্ষা পরামর্শ

শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগী মনোভাব তৈরি না করে সহযোগী মনোভাব তৈরি করা উচিত

আপডেট : ০১ ডিসেম্বর ২০১২, ১৮:৪৬
একজন শিক্ষক যে বিষয়ের উপর ক্লাসে পড়াবেন সে বিষয়ে শিক্ষা পদ্ধতি সম্পর্কে অগাধ জ্ঞান থাকতে হবে। তাহলে ক্লাসটাকে আকর্ষণীয় করা তার জন্য সহজ হবে। আর শিক্ষার্থীকে শেখানোর সময় ভয় না দেখিয়ে ভালোবাসা দেওয়া দরকার। পড়া-লেখা করাটা একজন শিক্ষার্থীর খুব প্রয়োজন— শিক্ষকের উচিত এ উপলব্ধিবোধটা তার ভিতর তৈরি করে দেওয়া। এর ব্যত্যয় ঘটলে শিক্ষার্থী পড়বে আর ভুলে যাবে। পাশাপাশি প্রতিযোগী মনোভাব না দিয়ে সহযোগী মনোভাব দেওয়া উচিত। তাহলে শিক্ষার্থীর ইতিবাচক মনোভাব গড়ে উঠবে। এদিকে অভিভাবকের দায়িত্ব হলো প্রথমেই সন্তানের শরীর এবং মানসিকতা বুঝা । সন্তানকে অন্য শিক্ষার্থীর সাথে তুলনা করা ঠিক নয়। তাতে সন্তানের মানসিক (আপসেট) বিপর্যয় ডেকে আনে। এ সময় বাবা মা সবচেয়ে বড় বন্ধু হওয়া দরকার। সন্তান ক্লাসে প্রথম হলেই হয় না। বাবা মা’র দরকার তাকে মানসিকভাবে (মানুষের মত মানুষ হওয়ার ক্ষেত্রে) উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করে দেওয়া। যেমন ধরুন — মেধা এবং বুদ্ধিমত্তার দিক থেকে একটি পরিবারে সব সন্তানই একরকম হয় না। তাই বলে, যার মেধাশক্তি কম, তাকে বাঞ্ছনা না করে, ভালো করার জন্য উত্সাহ দেওয়া দরকার। তাছাড়া পরিবারের সামর্থ শিক্ষার্থীর সামনে তুলে ধরা উচিত নয়। তাকে স্বাভাবিকভাবে বড় হতে দেওয়া উচিত। বর্তমানে ইন্টারনেটের যুগে শিক্ষার্থীদের শেখা এবং বুঝার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এই কল্যাণকর বিষয়টি শিক্ষার্থীরা অপব্যবহার যদি না করে তাহলে অবশ্যই সুফল বয়ে আনবে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় যে, ছুরি দিয়ে একজন ডাক্তার রোগীকে কাটাছেড়ার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলে আর সেই ছুরি পকেটমার কিংবা ডাকাতের হাতে গেলে অকল্যাণ বয়ে আনবে।