আবার দেখা যদি হল সখা প্রাণের মাঝে আয়

আপডেট : ০১ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:০১
“আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন এলামনাই, এ আমার অহংকার ও গৌরবও বটে। আমি আজ এসেছি এ মিলন মেলায় আমার দ্বৈত সত্তা নিয়ে। আমি একজন এলামনাই এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি। আপনারা লক্ষ্য করে থাকবেন, আমি রাষ্ট্রপতির আগে এলামনাইয়ের পরিচয়কে গুরুত্ব দিয়েছি। কারণ বহু স্মৃতি বিজড়িত এ বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে আমি আবেগাপ্লুত। বহু কথা, বহু ব্যথা, বহু আনন্দ এক সঙ্গে হূদয়ে ভিড় করছে।” গতকাল শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশনের হীরকজয়ন্তী মহোত্সবে এসে এভাবেই নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এসে অন্য এলামনাইদের মত স্মৃতিমেদুর হয়ে পড়েন। রোমন্থন করেন ছাত্র জীবনের নানা স্মৃতি। রাষ্ট্রপতির মতো সকল এলামনাই আবেগাপ্লুত। স্মৃতিকাতর । ষাটোর্ধ্ব এলামনাইরাও নেচে গেয়ে স্মরণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ে তারুণ্যোজ্জ্বল-প্রাণোচ্ছল দিনগুলোর কথা। উত্সবে অংশগ্রহণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের ১৯৪২ সালের ব্যাচের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক সময়ের স্নাতকরা। নবীন-প্রবীণের মিলনে উত্সবস্থল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ পরিণত হয় আনন্দ ঝর্নায়। বর্তমানে দেশের আইন, বিচার, অর্থনীতি, সংস্কৃতি, রাজনীতি, গণমাধ্যম, বাণিজ্যসহ প্রায় সকল ক্ষেত্রে নেতৃত্বে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে হীরকজয়ন্তীর মহোত্সব পরিণত হয় মিনি বাংলাদেশ উত্সবে। একই ছায়াতলে আসেন বিশ্ব বরেণ্য ও দেশসেরা ব্যক্তিত্বরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশনের ৬৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে এ হীরকজয়ন্তী মহোত্সবের আয়োজন করা হয়। উত্সবে এসে স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। তা তিনি বিখ্যাত কোন ব্যক্তি হোন বা না হোন সবারই কণ্ঠে ঝরে পড়ছিল আবেগ, ধূসর চোখেও তারুণ্যের দীপ্তি। স্মৃতির জানালায় ধরা পড়ে পুরনো দিনের নানা সুখ-দুঃখ-আনন্দের গান। তাইতো উত্সবের মূল মঞ্চে যখন শিল্পীরা গান গাইছিলেন তখন সকল এলামনাই তার সঙ্গে সুর মেলালেন- ‘পুরানো সেই দিনের কথা ভুলবি কি রে হায়/ ও সেই চোখে দেখা, প্রাণের কথা, সে কি ভোলা যায়/ আয় আর একটিবার আয়রে সখা, প্রাণের মাঝে আয়/ মোরা সুখের-দুখের কথা কব, প্রাণ জুড়াবে তায়।/মোরা ভোরের বেলা ফুল তুলেছি, দুলেছি দোলায়-/ বাজিয়ে বাঁশি গান গেয়েছি বকুলের তলায়।/ হায় মাঝে হল ছাড়াছাড়ি/ গেলেম কে কোথায়/ আবার দেখা যদি হল সখা, প্রাণের মাঝে আয়।’ করমর্দন এবং দীর্ঘ আলিঙ্গন থেকে পরস্পরকে ছাড়তে চাইছিলেন না বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী-এলামনাইরা। উত্সবে এসে স্মৃতির ঝাপি মেলে ধরেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের ১৯৪২ সালের ব্যাচের শিক্ষার্থী মেজবাহুল বাহার চৌধুরী। উত্সবে সবচেয়ে প্রবীণ তিনি। অন্যান্যের মধ্যে অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৪৮ সালের অর্থনীতি বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র ও ভারতের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. অশোক মিত্র, বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান, ব্যারিস্টার রফিকুল হক, অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ভিসি অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরী, অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ভিসি অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরীন আহমাদ, প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক সহিদ আকতার হুসাইন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক কামালউদ্দিন, ডাকসুর সাবেক ভিপি মাহফুজা খানম, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ওসমান ফারুক, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সংসদে বিরোধী দলের চিফ হুইপ জয়নাল আবদিন ফারুক, সিপিবি’র সাধারণ সম্পাদক মোজাহিদুল ইসলাম সেলিম, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি এ কে আজাদ চৌধুরী। সাংবাদিক গোলাম সারওয়ার, শফিক রেহমান, মাহফুজ উল্লাহ, শাইখ সিরাজ, ডাকসু’র সাবেক জিএস খায়রুল কবীর খোকন, এলামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী, মহাসচিব রকীবউদ্দীন আহমেদ, মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য এবং দেশের বিভিন্ন অঙ্গনে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখা বিশ্ববিদ্যালয়ের এলামনাইরা। জ্বালাইয়া দিব স্মৃতির আগুন... গতকাল সকাল আটটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে হীরকজয়ন্তীর মহোত্সব শুরু হয়। এর আগে থেকেই শীতের আগমনী শিশির ভেজা ঘাসে পা ফেলে উত্সবস্থলে উপস্থিত হন এলামনাইরা। মূল সভামঞ্চে গান চলতে থাকে- ‘জ্বালাইয়া দিব স্মৃতির আগুন, নিভাইতে দিব না....’ এ গানকে সত্যি করেই যেন খুব সকালে শুরু হওয়া উত্সব শেষ হয় রাতে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। এর আগে সারাদিনমান চলে এলামনাইদের আড্ডা, হাসি, গান, আলাপচারিতা, নৃত্য, পুরনো দিনের স্মৃতি কথা। সকালে বেলুন উড়িয়ে উত্সবের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ১৯৪৭-৪৮ সালের ছাত্র এবং বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান। স্মৃতি কাতর হয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমি আজ ফিরে গেছি আমার সেই যৌবনের দিনগুলোতে। তারই সামান্য কিছু স্মৃতির মণিকোঠা থেকে আপনাদের সামনে তুলে ধরছি।’ ভাষা সৈনিক মো. জিল্লুর রহমান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি স্মরণ করে বলেন, ‘১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। ...আমরা ১১ জন ছাত্র ছিলাম ১৪৪ ধারা ভঙ্গের পক্ষে। ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে ফজলুল হক হলের পুকুর পাড়ে বসে আমরা ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত নেই। ছাত্রনেতা শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশেই এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল। ১৯৫৩ সালে ২১ ফেব্রুয়ারি পালনে নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আমরা তা উপেক্ষা করে শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই এবং মিছিলে অংশ নিই।’ রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘একদিন আমি এ বিশ্ববিদ্যালয়েরই একজন ছাত্র ছিলাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে আমার যে ঋণ, তা কোনোদিন পরিশোধ করার নয়। আজীবন শুধু এ বিশ্ববিদ্যালয়ের কল্যাণ কামনা করে যাব।’ স্মৃতির ঝাঁপি থেকে উত্সবে সবচেয়ে প্রবীণ সদস্য মেজবাহুল বাহার চৌধুরী। ১৯৪২ সালে মাস্টার্সের ছাত্র ছিলেন তিনি। অনুষ্ঠানস্থলে এসে তিনি বলেন, আমার জীবনের সবচেয়ে বড়প্রাপ্তি ও সম্মান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হওয়া। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রত্বই আমার অন্য প্রাপ্তি ও সম্মানের প্রধান সিঁড়ি হিসেবে কাজ করছে। সময়ের ব্যবধানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পদ্ধতি-কায়দা হয়তো বদলেছে কিন্তু জাতীয় জীবনে এর আবেদন এখনও সেই একই রকম। তিনি বলেন, উত্সব তো অনেক রকমেরই হয়। কিন্তু এ উত্সবে এসে এতসব প্রিয় মানুষের সাক্ষাত্, কথা বলা, স্মৃতি মেলে ধরা—এ সুযোগ পাওয়া দুঃসাধ্য। সেরা দিনগুলোর একটি হয়ে থাকবে এ উত্সবের দিনটি। অর্থনীতি বিভাগের ১৯৪৮ সালের ছাত্র ভারতের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. অশোক মিত্র বলেন, ‘বাঙালির জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হলো উজ্জ্বল হীরকখণ্ড। আমার জীবনের জন্য এটি উজ্জ্বলতম হীরকখণ্ড। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি হিরন্ময় সময় কাটিয়েছি। আমার জীবনের সবপ্রাপ্তির মূলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, এর শিক্ষক এবং শিক্ষাপ্রণালী প্রধানতম অবদান রেখেছে। যতদিন বেঁচে থাকব ততদিন তা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করব। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি নিমকহারামি করবো না। বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে গর্ব আমাদের সবসময়ের। প্রাণের টানে উত্সবে ছুটে এসেছি। অনেকের সাথে দেখা হচ্ছে। পুরনো নানা ঘটনা মনে পড়ছে। ভালো লাগছে। অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান বলেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্র নই। এজন্য এখন একটু আফসোস হচ্ছে। তবে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলাম, সেটিও অনেক গর্বের। আর এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন আমাকে সম্মানিত সদস্য মনোনীত করে সম্মানিত করেছে। উত্সবের হাস্যোজ্জ্বল মুখগুলো পুরনো দিনের নানা আনন্দের স্মৃতি স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। স্মৃতিকাতর হয়ে পড়ছি। গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের গোটা কেন্দ্রীয় মাঠ জুড়েই প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা খণ্ড খণ্ড বৈঠকে আড্ডায় মেতে উঠেছিলেন। এমনই এক উত্সবের বৈঠকে হঠাত্ দাঁড়িয়ে নাচতে শুরু করেন ১৯৭০ সালের ব্যাচের শিক্ষার্থী সুফিয়া খাতুন। এরপর উঠে নাচতে শুরু করেন বৈঠকে থাকা ১৪ জনের আটজনই। বাকিরা হাত তালিতে তাদের উত্সাহ জোগান। জিজ্ঞাসা করলে সুফিয়া জানান, ‘ছাত্রী থাকাকালে ভালো নাচতে পারতাম। বন্ধুদের অনুরোধে তাই এক পাক নেচেনিলাম। এ সুযোগতো আর হবে না!’ পাশের টেবিলেই বসেছিলেন ইংরেজি বিভাগের ১৯৭০ সালের ছাত্রী হোসনে আরা বেগম। সাথে ছিলেন তার স্বামী ১৯৬৬ ব্যাচের ছাত্র এটিএম গিয়াসউদ্দিন। হোসনে আরা বলেন, চাকরি জীবন থেকেও দুইজন অবসর নিয়েছি। সুখ-দুঃখ মিলিয়েই জীবন। তবে এ উত্সব শুধু আনন্দের। বড় ভালো লাগছে। বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেয়ার প্রত্যয় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ থেকে উত্সবের রঙ ছড়িয়ে পড়ে গোটা ক্যাম্পাসে। কৃতী অগ্রজদের দেখে নতুন করে অনুপ্রাণিত হন এখনকার শিক্ষার্থীরা। একসাথে ছবি তোলার হিড়িক পড়ে যায় বিভিন্ন স্থানে। শুধু স্মৃতি কাতর আলোচনা নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি দায় স্বীকার করেন অনেক এলামনাই। আর তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা। বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরী বলেন, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের এলামনাইরা নিজেদের মধ্যে চাঁদা তুলে ৪১ বিলিয়ন ডলার বিশ্ববিদ্যালয়ে দান করেছেন। বাংলাদেশের মোট বাজেটের আকার প্রায় ২১ বিলিয়ন ডলার। আমাদের সম্পদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তাই এলামনাইদের বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে কার্যকরভাবে এগিয়ে আসতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক গবেষণাকর্ম শুধু অর্থের অপ্রতুলতার কারণে আটকে থাকে কিংবা ধীরগতিতে সম্পন্ন হয়। গবেষণার জন্য ফান্ড পাওয়া যায় না। শুধু সরকারের উপর নির্ভরশীল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা পরিচালনা সম্ভব নয়। তিনি এলামনাইদের এক্ষেত্রে অবদান রাখতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সিনেট সদস্য অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, হীরক জয়ন্তীর উত্সবে একই প্যান্ডেলের নিচে মিনি বাংলাদেশ অবস্থান করছে। এক ভিন্নরকম আনন্দের আবহ তৈরি করেছে উত্সব। একইসাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে নতুন প্রাণও এ উত্সব থেকে সঞ্চারিত হওয়া উচিত। উত্সবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়টি প্রবেশ পথ এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের অর্থায়নে নির্মাণ করা হবে বলে ঘোষণা দেন অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব রকীবউদ্দীন আহমেদ। তিন পর্বের উত্সবে সকালে সংগীত পরিবেশন ও স্মৃতিচারণ, বিকালে আড্ডা এবং সন্ধ্যায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।