চবিতে ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

নবীন প্রবীণের মিলন মেলায় মুখরিত ক্যাম্পাস

আপডেট : ০১ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:০২
বিপুল উত্সাহ-উদ্দীপনা ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরার মধ্যদিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। নবীন ও প্রবীণদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে ক্যাম্পাস। শনিবার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গোল চত্বরে ৪৬টি বেলুন উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কার্যক্রম শুরু হয়। পরে একটি শোভাযাত্রা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাটাপাহাড় থেকে শুরু হয়ে মঞ্চ জারুল তলায় এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় অংশ নেন শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া, বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক মো. আনোয়ারুল আজিম আরিফ, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলাউদ্দিনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ। স্লাইড শো প্রদর্শনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘ সময়ের ইতিহাস তুলে ধরা হয়। এছাড়া প্রদীপ প্রজ্বলন ও কেক কাটার মধ্যদিয়ে আলোচনা সভা শুরু হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া। প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে জ্ঞানচর্চার কেন্দ বিন্দু। নবীনদের স্বপ্ন দেখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একদিনের স্বপ্নের বাস্তবায়নই বর্তমানের বাংলাদেশ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নতুন স্বপ্নের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জেগে উঠার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এখন প্রশ্ন গত ৪২ বছরেও আমরা কি পেরেছি মুক্তিযুদ্ধের সেই চেতনাকে লালন করে তাদের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আনোয়ারুল আজিমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. আলাউদ্দিন, সাবেক উপাচার্য ড. আলমগীর মো. সিরাজউদ্দিন, ড. আবদুল মান্নান, অধ্যাপক এ জে এম নূরুদ্দিন চৌধুরীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী। সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য আনোয়ারুল আজিম আরিফ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় সকলের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, এ ক্যাম্পাস সবার। তাই এটার সুুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে আমাদের সবাইকেই কাজ করতে হবে। আলোচনা সভা শেষে বিকাল ৩টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সবশেষে সন্ধ্যা ৬টায় মঞ্চে উঠেন দেশ সেরা ব্যান্ডদল শিরোনামহীন।