কে হবেন উপাচার্য উপ-উপাচার্য ক্যাম্পাসে আলোচনা

আপডেট : ০২ ডিসেম্বর ২০১২, ২০:৪৮
উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনে অচল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরবর্তী উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য কারা হচ্ছেন তা নিয়ে ক্যাম্পাসে চলছে নানা আলোচনা। শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অনেকের ধারণা, অচলাবস্থা নিরসনে দ্রুতই পদত্যাগ করতে পারেন উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য। আবার কারো মতে, আর মাত্র তিন মাস পর নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ইবি উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও ট্রেজারার পদে নতুন নিয়োগ দেয়া হবে। এদিকে ইবি শিক্ষক সমিতির অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালনের কারণে ভর্তি, ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধসহ একেবারেই অচল রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় । বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের গঠিত ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র ও বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে , বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্বরত বেশ কয়েকজন শিক্ষকসহ ইবির শিক্ষকরা উপাচার্য,সহ-উপাচার্য হতে মাঠে নেমেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আলোচনায় যাদের নাম উঠে এসেছে তারা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপ-উপাচার্য অধ্যাপক এম ড. কামালউদ্দিন, মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মনিরুজ্জামান (ইবির ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক),যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুস সাত্তার (ইবির রসায়ন বিভাগের শিক্ষক) , ইবি বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ও বাংলা বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড.আবুল আহসান চৌধুরী, আইন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপ-উপাচার্য অধ্যাপক এম ড. কামালউদ্দিন বলেন, ইবির উপাচার্য হওয়ার কোন ইচ্ছা আমার নেই। তবে সরকার যদি আমাকে যোগ্য মনে করে অন্য কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের দায়িত্ব দেয়, তাহলে আমি তা গ্রহণ করবো।