দলীয় নেতা হত্যার প্রতিবাদে গতকাল রবিবার গাংনী উপজেলায় সরকারি দলের উদ্যোগে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালিত হয়।
দলীয় কোন নেতা-কর্মী বা পিকেটারদের রাস্তায় পাওয়া না গেলেও স্বাভাবিক গতিতেই হরতাল পালিত হয়।
এদিকে বামুন্দী বাজারে কোন দোকান-পাট খোলেননি ব্যবসায়ীরা। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে কিছু কিছু দোকান-পাট খুলেছে। মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়কে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় সকল শ্রেণীর মানুষজন ভোগান্তিতে পড়ে।
গাংনী উপজেলার বামুন্দী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান বেল্টু হত্যার প্রতিবাদে ও মেহেরপুর পুলিশ সুপার মির্জা আব্দুল্লাহেল বাকীর অপসারণের দাবিতে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডাকে গাংনী উপজেলা আওয়ামী লীগ। এর আগে ২ দিন রাস্তা অবরোধসহ কালো ব্যাজধারণ ও সাংবাদিক সম্মেলন করে উপজেলা আওয়ামী লীগ। এদিকে সাইদুর রহমান বেল্টু হত্যায় তার মা সখিনা বেগম শনিবার গাংনী থানায় মামলা করেছেন।
এদিকে র্যাবের কাছে অস্ত্র গুলিসহ সন্ত্রাসী সালামের স্ত্রী শিখা খাতুন ধরা পড়ার পর বেল্টু হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে বলে র্যাব দাবি করেছে।
এদিকে শিখাকে আটকের পর হরতাল তুলে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেক। তবে হরতাল প্রত্যাহারের জন্য মাইকি বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হয়নি আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে। উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টার সময় বেল্টুকে তার দেবীপুর গ্রামের বাড়ি দোতলায় শোয়ার ঘরে গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা।
