মাস গেলেই রেমিট্যান্স প্রবাহের নতুন নতুন রেকর্ড তৈরি হলেও সদ্য শেষ হওয়া নভেম্বর মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ আগের মাসের তুলনায় ২৪ শতাংশ কমে গেছে। এ মাসে প্রবাসীরা ১০৯ কোটি ৮২ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন। অথচ এর আগের মাসে দেশে ১৪৫ কোটি ৩৬ লাখ ডলার এসেছিল। একক মাস হিসাবে যা ছিল সর্বোচ্চ। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাবে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত বছরের মার্চ মাস থেকেই রেমিট্যান্স ১০০ কোটি ডলারের উপরে উঠে যায়। সে সময় থেকে বর্তমান পর্যন্ত প্রায় সকল মাসেই রেমিট্যান্স ১০০ কোটির উপরে ছিল এবং মাস পার হলেই নতুন নতুন রেকর্ড তৈরি হচ্ছিল। বেশি পরিমাণে রেমিট্যান্স আসায় বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের পরিমাণও বাড়তে থাকে। অথচ গেল মাসে তার ব্যতিক্রম দেখা গেছে। অর্থনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, অর্থনীতির অন্যতম প্রধান উত্স রেমিট্যান্সের প্রবাহে মন্দা দেখা দিলে দেশের অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তবে রেমিট্যান্স প্রবাহ কিছুটা কমে গেলেও এখনই এ বিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন না তারা।
পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাই এ ১২০ কোটি এক লাখ, পরের মাস আগস্টে ১১৭ কোটি ৮৬ লাখ এবং সেপ্টেম্বরে প্রবাসীরা ১১৭ কোটি ৮৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন। যা আগের অর্থবছরের জানুয়ারি মাস বাদে যেকোন মাসের চেয়ে বেশি ছিল। ওই অর্থ-বছরের জানুয়ারি মাসে ১২২ কোটি ১৪ লাখ টাকার রেমিট্যান্স এসেছিল। এদিকে চলতি ২০১২-১৩ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই- নভেম্বর) ৬১১ কোটি ডলারের রেমিটেন্স দেশে এসেছে। গত ২০১১-১২ অর্থবছরের জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সময়ে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৪৯২ কোটি ডলার।
